tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদখেলাশেষ ষোলোয় ব্রাজিলের সামনে কে?

শেষ ষোলোয় ব্রাজিলের সামনে কে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর রাউন্ড অব ৩২-এর অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) মুখোমুখি হচ্ছে আইভরি কোস্ট ও নরওয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই মহারণ। ম্যাচটির বিজয়ী দল শেষ ষোলোয় উঠেই মুখোমুখি হবে ব্রাজিলের।

এর আগে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতোমধ্যে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। যোগ করা সময়ে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির নাটকীয় গোল ব্রাজিলকে এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত জয়।

প্রথম দেখাতেই নকআউট লড়াই

আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে আইভরি কোস্ট ও নরওয়ে আগে কখনো একে অপরের মুখোমুখি হয়নি। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে আজকের ম্যাচটিই হতে যাচ্ছে দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎ—তাও আবার সরাসরি নকআউট পর্বে।

গ্রুপ পর্বে আইভরি কোস্ট ইকুয়েডর ও কুরাসাওকে হারিয়ে এবং জার্মানির কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ে ২-১ ব্যবধানে হেরে গ্রুপ ‘ই’-এর রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয়।

অন্যদিকে নরওয়ে ইরাক ও সেনেগালকে হারিয়ে গ্রুপ ‘আই’ থেকে নকআউট নিশ্চিত করে। যদিও শেষ ম্যাচে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে খেলতে নেমে তারা ফ্রান্সের কাছে ৪-১ গোলে হারে।

আইভরি কোস্ট কিছুটা এগিয়ে?

সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় আইভরি কোস্টকে কিছুটা এগিয়ে রাখছেন বিশ্লেষকরা। কোচ এমার্স ফায়ের অধীনে দলটি বেশ সুসংগঠিত ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী ফুটবল খেলছে।

বিশেষ করে স্ট্রাইকার নিকোলাস পেপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ২-০ জয়ের ম্যাচে তিনি একাই করেন দুটি গোল। মাঝমাঠে ফ্রাঙ্ক কেসি দলের ভারসাম্য রক্ষার বড় ভরসা।

সম্প্রতি প্রীতি ম্যাচে ফ্রান্সকে হারানোর অভিজ্ঞতাও আইভরি কোস্টের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

হালান্ড-ওডেগার্ড ফিরলে বদলে যেতে পারে ম্যাচ

তবে নরওয়েকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। ফ্রান্সের বিপক্ষে বড় হারলেও সেই ম্যাচে কোচ স্তালে সোলবাকেন মূল একাদশে ১০টি পরিবর্তন এনেছিলেন এবং দলের দুই প্রধান তারকা আর্লিং হালান্ড ও মার্টিন ওডেগার্ডকে বিশ্রামে রেখেছিলেন।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পূর্ণশক্তির দল নিয়ে খেলা আটটি ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছিল নরওয়ে। এই টুর্নামেন্টে হালান্ড ইতোমধ্যে করেছেন চার গোল। আজ তিনি ও ওডেগার্ড নতুন উদ্যমে মাঠে নামবেন, যা আইভরি কোস্টের রক্ষণভাগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তবে নরওয়ের উদ্বেগের জায়গা তাদের রক্ষণভাগ। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই তারা গোল হজম করেছে।

কৌশলগত লড়াই

এমার্স ফায়ে সম্ভবত মাঝমাঠের জায়গা সংকুচিত করে নরওয়ের আক্রমণ থামাতে চাইবেন এবং কাউন্টার অ্যাটাকে পেপের গতি কাজে লাগাবেন। অন্যদিকে সোলবাকেন ফিরবেন তার পরিচিত হাই-প্রেসিং ও বল দখলভিত্তিক ফুটবলে।

ফ্রাঙ্ক কেসি বনাম মার্টিন ওডেগার্ডের দ্বৈরথ, আর পেপের গতি বনাম নরওয়ের লেফট-ব্যাক—এই দুই লড়াই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।