tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকচুক্তি হলে মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তুত ট্রাম্প

চুক্তি হলে মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তুত ট্রাম্প

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘পড ফোর্স ওয়ান’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

গত বুধবার প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের চলমান যোগাযোগ এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে না পৌঁছালেও দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে। তার মতে, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সমঝোতা বা চুক্তি সম্পন্ন হলে মোজতবা খামেনির সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ট্রাম্প জানান, এখন পর্যন্ত ইরানের নতুন নেতার সঙ্গে তার কোনো ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ হয়নি। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে তিনি এমন বৈঠকে অংশ নিতে আগ্রহী।

তিনি বলেন, “এখনো তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়নি। তাকে নিয়ে নানা ধরনের তথ্য ও আলোচনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে অবশ্যই তার সঙ্গে কথা বলতে চাই।”

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় মোজতবা খামেনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং দেশটির উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠীর সমর্থনও তার প্রতি রয়েছে।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকায় মোজতবা খামেনিকে ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হওয়ার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও অনানুষ্ঠানিক সূত্রে ওই হামলায় তিনি আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ট্রাম্পের মতে, মোজতবা খামেনির অনুপস্থিতি ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও শান্তি আলোচনার গতি কিছুটা শ্লথ করেছে। তিনি বলেন, সরাসরি যোগাযোগের পরিবর্তে মধ্যস্থতাকারী ও বার্তাবাহকদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করতে হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়ায় বেশি সময় লাগছে।

সম্ভাব্য বৈঠক প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “আমি সাধারণত সব পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করতে পছন্দ করি। সঠিক সময় ও পরিস্থিতি তৈরি হলে আমাদের সাক্ষাৎ হতে পারে। তবে সেটি পুরোপুরি ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনিকে নিয়ে ট্রাম্পের বর্তমান অবস্থান অতীতের তুলনায় অনেকটাই নমনীয়। এর আগে তিনি মোজতবাকে ইরানের নেতৃত্বের জন্য ‘অযোগ্য’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তার বক্তব্যে কূটনৈতিক নমনীয়তার ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে।