খামারিদের জন্যও কার্ড চালুর উদ্যোগ সরকার নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু।
রোববার (১৭ মে) বিকেলে বগুড়া মহানগরীর গোকুল এলাকায় হোটেল মম ইন কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন: আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা, বাজার সংযোগ ও ভ্যালু চেইন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের মতো খামারিরাও ভবিষ্যতে কার্ডের আওতায় আসবেন। এ বিষয়ে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি খামারিদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজীকরণ নিয়েও আলোচনা চলছে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদে খামারিরা যেন ন্যায্যমূল্য পান, সে লক্ষ্যেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজামাল খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. মোস্তফা কামাল। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুন্নাহার আহমদ। প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবদুল মান্নান মিয়া। সেমিনারে পাঁচ শতাধিক খামারি ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা অংশ নেন।
সেমিনার শেষে সন্ধ্যায় প্রতিমন্ত্রী বগুড়া মহানগরীর জয়পুরপাড়ায় নবনির্মিত আধুনিক জেলা কসাইখানার উদ্বোধন করেন। প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ ডেসিমেল জমির ওপর নির্মিত এই কসাইখানায় প্রতি ঘণ্টায় ১৫টি গরু এবং ৩০টি ছাগল বা ভেড়া জবাই ও প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডেভেলপমেন্ট অব লাইভস্টক সার্ভিসেস প্রকল্পের আওতায় ‘লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট’ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। উদ্বোধনের পর কসাইখানাটি বগুড়া সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ সময় জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



