tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব একপেশে: ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব একপেশে: ইরান

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে আখ্যা দিয়েছে ইরান। পাল্টা প্রস্তাবে তেহরান যুদ্ধ বন্ধ, অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিদেশে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে।

সোমবার (১১ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় দুই মাস ধরে চলা সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব রোববার পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের শর্তগুলোকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করেছেন।

সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Esmail Baghaei বলেন, যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের প্রস্তাব “বৈধ” ও “দায়িত্বশীল”।

তিনি বলেন, “আমরা কোনো অতিরিক্ত সুবিধা চাইনি। আমাদের দাবি সম্পূর্ণ ন্যায্য। যুদ্ধের অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও চাপনীতি বন্ধ এবং বিদেশি ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করাই আমাদের প্রধান দাবি।”

ইরান আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল নিশ্চিত করা, অঞ্চলজুড়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বিশেষ করে লেবাননে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠাও তাদের প্রস্তাবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এর আগে রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে Donald Trump জানান, তিনি তেহরানের পাল্টা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবেন। যদিও তিনি প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।

ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়েছি। এটি আমার মোটেও পছন্দ হয়নি। প্রস্তাবটি পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।”

এদিকে American University of Rome-এর বিশ্লেষক Andrea Dessì মনে করেন, উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক পরিস্থিতি মোটেও ইতিবাচক নয়। দুই পক্ষই কঠোর অবস্থানে আটকে আছে। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, উপসাগরীয় অঞ্চল এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষের ওপর।”