tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকচীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে ইরান

চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে ইরান

ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রয়েছে  আব্রাহাম লিংকন । পাশাপাশি বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডকেও ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পানিসীমার কাছাকাছি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। জাহাজটি ইতোমধ্যে ভূমধ্যসাগরে অবস্থান নিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, এসব রণতরীর উপস্থিতিতে তারা ভীত নয়। কেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখেও পিছু হটছে না—এ প্রশ্ন এখন ওয়াশিংটন নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি বলেন, মার্কিন রণতরীতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ দেখছে না তেহরান, কারণ তাদের হাতে এমন সামরিক সক্ষমতা রয়েছে যা বড় যুদ্ধজাহাজকেও হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

এমন প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কেনার প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ছয়জন অবগত সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান চীনের তৈরি সিএম-৩০২ সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইল সংগ্রহে আগ্রহী। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত হলে সমুদ্রভিত্তিক যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

সিএম-৩০২-এর সক্ষমতা

সিএম-৩০২ চীনের তৈরি একটি সুপারসনিক জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এটি মূলত চীনের ওয়াইজে-১২ অ্যান্টি-শিপ মিসাইলের রপ্তানি সংস্করণ হিসেবে পরিচিত। উচ্চগতিতে উড্ডয়ন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের কাছাকাছি দিয়ে উড়ে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দেওয়ার জন্য এটি নকশা করা হয়েছে।

প্রায় ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র স্থলভিত্তিক মোবাইল লঞ্চার, যুদ্ধজাহাজ কিংবা যুদ্ধবিমান—তিন প্ল্যাটফর্ম থেকেই নিক্ষেপ করা সম্ভব।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন অস্ত্রভাণ্ডার যুক্ত হলে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।