tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকমিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল

মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল

মিয়ানমারের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো ও তা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে মার্কিন কংগ্রেসে একটি নতুন বিল উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই আইনের নাম ‘ব্রিং রিয়েল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ভায়া এনফোর্সমেন্ট ইন বার্মা অ্যাক্ট’ (ব্রেভ বার্মা অ্যাক্ট)। বিষয়টি মার্কিন কংগ্রেসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা আইনটির মেয়াদ ২৩ ডিসেম্বর ২০৩২ পর্যন্ত বাড়ানো হবে। বর্তমানে প্রচলিত আইনের অধীনে প্রেসিডেন্ট নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, সরকারি কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারেন—কিছু ক্ষেত্রে যা বাধ্যতামূলকও। নতুন প্রস্তাবিত বিল সেই আইনের আওতা ও প্রয়োগ আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করতে চায়।

এছাড়া আগামী সাত বছর ধরে প্রতি বছর প্রেসিডেন্টকে মূল্যায়ন করতে হবে—মিয়ানমা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস এন্টারপ্রাইজ, মিয়ানমা ইকোনমিক ব্যাংক কিংবা বার্মার জেট ফুয়েল খাতে জড়িত কোনো বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিষেধাজ্ঞার শর্ত পূরণ করছে কি না। এ মূল্যায়ন করা হবে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা আইন ও নির্বাহী আদেশ ১৪০১৪–এর আলোকে, যা মিয়ানমারের পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি জব্দের নির্দেশনা দেয়।

বিল অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এ যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হবে যাতে মিয়ানমারের আইএমএফ শেয়ার বৃদ্ধির বিপক্ষে ভোট দেন এবং এ বিষয়ে সমর্থন জোগান, যতদিন দেশটির স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিল ক্ষমতায় থাকবে। উল্লেখ্য, স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিল হলো ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর গঠিত সামরিক জান্তা সরকার।

প্রস্তাবিত আইনটি প্রেসিডেন্টকে সিনেটের পরামর্শ ও সম্মতি নিয়ে মিয়ানমারবিষয়ক একজন বিশেষ দূত নিয়োগ করতেও বাধ্য করবে। রাষ্ট্রদূত-সমমর্যাদাসম্পন্ন এই দূতের দায়িত্ব হবে মিয়ানমার-সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সমন্বয়, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা তদারকি এবং মিয়ানমারের জনগণের জন্য সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয় করা।