tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদআদালতএবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ডিবির হারুনসহ ১০ শীর্ষ কর্মকর্তা

এবার ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ডিবির হারুনসহ ১০ শীর্ষ কর্মকর্তা

গাজীপুরের বহুল আলোচিত পাতারটেক ‘জঙ্গি নাটক’ ঘটনায় প্রথমবারের মতো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ দাখিল করা হয়।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া এবং পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তৎকালীন প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম।

প্রসিকিউশন জানায়, দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্ত সংস্থা মামলার প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দেয়। যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগের ওপর শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী দিন ধার্য করবেন। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তারাও বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অপারেশন বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালে ওই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি দল পরিকল্পিতভাবে একটি ভুয়া ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাতজনকে হত্যা করে। পরবর্তীতে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে প্রচার করা হয়। নিহতদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তদন্তে উঠে আসে, তারা বিচারবহির্ভূতভাবে নিহত হন এবং পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

নিহত সাতজনের একজন ছিলেন ইবরাহীম, যিনি যাত্রাবাড়ীর একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবারের দাবি, ইবরাহীম কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের ঘটনায় নতুন করে অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি হলে ইবরাহীমের বাবা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে ছেলের গুম ও হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগই পরবর্তীতে এই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।