তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে স্বাভাবিক প্রস্তুতি প্রয়োজন, তার সবটুকুই সরকারের রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক প্রস্তুতির বাইরে গিয়েও বাড়তি সতর্কতা নিতে হচ্ছে। কারণ প্রতিপক্ষ এখন আরও বেশি সংগঠিত এবং পেছন দিক থেকে আঘাত হানছে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই আমাদের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক, শোষণমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। সেই ব্যর্থতার কারণেই গণঅভ্যুত্থান ও বিপ্লবের পথ তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পুরোনো একটি শাসনব্যবস্থা পেছনে ফেলে নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে এই গণতান্ত্রিক যাত্রা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারিতে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এক থেকে দেড় বছরের সরকারের কার্যক্রমকে ব্যর্থতা বা সাফল্যের প্রচলিত মানদণ্ডে বিচার করা ঠিক হবে না। সরকার একেবারে ভেঙে পড়া একটি অবস্থা থেকে কাজ শুরু করেছে। সেই ভগ্ন অবস্থাকে পুনর্গঠন করে রাষ্ট্রকে আবার সচল করার প্রচেষ্টাই ছিল সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তাই এই সরকারকে ব্যর্থ বা সফল— কোনো একক বিশেষণে চিহ্নিত করার সুযোগ তিনি দেখেন না।



