বিশ্বকাপ ফাইনালের পর স্পেনের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। ফিফা তাঁর বিরুদ্ধে ৯ ম্যাচ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।
গত ১৯ জুলাই নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল শেষে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। টিভি ফুটেজে দেখা যায়, পারেদেস স্পেনের এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান এবং গাভিকে মাটিতে ফেলে দেন। এ ঘটনায় আর্জেন্টিনার আরও কয়েকজন খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফও জড়িয়ে পড়েন।
ফিফার আচরণবিধির ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সহিংস আচরণের প্রতিটি অভিযোগ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা হতে পারে। তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হলে পারেদেসের নিষেধাজ্ঞা ৯ ম্যাচ পর্যন্ত গড়াতে পারে।
তবে পারেদেসের সামনে একটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে—আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়া। সে ক্ষেত্রে জাতীয় দলের হয়ে নিষেধাজ্ঞা ভোগ করতে নাও হতে পারে। কিন্তু ফিফার আচরণবিধির ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ হলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তখন শুধু জাতীয় দল নয়, সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকেও নিষিদ্ধ হতে পারেন তিনি।
এর আগে উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজ-এর ক্ষেত্রে এমন বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল ২০১৪ বিশ্বকাপে ইতালির জর্জিও চিয়েল্লিনি-কে কামড়ানোর ঘটনায়।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, পারেদেসের ঘটনা সুয়ারেজের ঘটনার মতো গুরুতর না হওয়ায় ফিফা হয়তো সর্বোচ্চ শাস্তির পথে নাও যেতে পারে।
পারেদেস নিজেও ম্যাচের পর নিজের আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলেননি। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
এখন ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন ৩২ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার।



