tanaka

মার্কিন বিমান বাহিনীর এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য মিশিগানের ট্রাভার্সি শহরে মার্কিন বিমান বাহিনীর এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিভাগের একটি এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় বিমানটি...
প্রচ্ছদখেলা২০২৫-২৬ মৌসুমে কে এগিয়ে- মেসি নাকি এমবাপ্পে?

২০২৫-২৬ মৌসুমে কে এগিয়ে- মেসি নাকি এমবাপ্পে?

একজনের বয়স ৩৯, অন্যজনের ২৭। একজন খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস), অন্যজন ইউরোপের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লিগ লা লিগায়। ভিন্ন বাস্তবতায় খেললেও ২০২৫-২৬ মৌসুম শেষে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের পারফরম্যান্সের তুলনা।

গোল, অ্যাসিস্ট, ড্রিবল, পারফরম্যান্স রেটিং এবং দলীয় সাফল্য—সব দিক মিলিয়ে দুই প্রজন্মের দুই সেরা ফুটবলারের মৌসুম কেমন ছিল, তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে স্প্যানিশ দৈনিক মার্কা

২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর এই তুলনা আরও বেশি আলোচনায় এসেছে। তবে বিতর্কটি শুধু বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সে সীমাবদ্ধ নয়; পুরো মৌসুমজুড়ে তাদের অবদানই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে তুলনায় যাওয়ার আগে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। মেসি খেলছেন এমএলএসে, আর এমবাপ্পে লা লিগায়। দুই লিগের প্রতিযোগিতার মান, বয়স, দল এবং সামগ্রিক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তবুও নিজ নিজ জায়গা থেকে দুজনই কাটিয়েছেন দুর্দান্ত একটি মৌসুম।

৩৯ বছর বয়সেও মেসি প্রমাণ করেছেন, বিশ্ব ফুটবলে তার প্রভাব এখনো অটুট। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করা ২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পে ছিলেন দুর্দান্ত গোলমুখী।

ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে গোলের দিক থেকে এগিয়ে এমবাপ্পে। ৬০ ম্যাচে তিনি করেছেন ৫৮ গোল, যার মধ্যে ৪৩টি এসেছে ওপেন প্লে থেকে। পাশাপাশি রয়েছে ১৩টি অ্যাসিস্ট এবং ১৩৬টি সফল ড্রিবল। লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ২০২৬ বিশ্বকাপ—তিন প্রতিযোগিতাতেই সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি অর্জন করেন এই ফরাসি তারকা।

অন্যদিকে মেসি ৪৯ ম্যাচে করেছেন ৪৫ গোল, যার মধ্যে ৪১টি ওপেন প্লে থেকে। তবে সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনেক এগিয়ে। পুরো মৌসুমে ৩০টি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি করেছেন ১১৭টি সফল ড্রিবল। পারফরম্যান্স রেটিংয়েও এগিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসির গড় রেটিং ৮.৫৫, যেখানে এমবাপ্পের ৭.৭৫।

দলীয় সাফল্যের বিচারে এগিয়ে রয়েছেন মেসি। তার নেতৃত্বে ইন্টার মায়ামি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমএলএস শিরোপা জেতে। একই সঙ্গে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে তুললেও শেষ পর্যন্ত রানার্সআপ হয় আলবিসেলেস্তেরা।

বিশ্বকাপেও ইতিহাস গড়েছেন দুই তারকা। জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভেঙে ফেলেন দুজনই। মেসি বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার শেষ করেন ২১ গোল নিয়ে, যার মধ্যে ২০২৬ আসরে করেন ৮টি। আর এমবাপ্পে ২২ গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেন। এবারের বিশ্বকাপে ১০ গোল করে জেতেন গোল্ডেন বুটও।

বিশ্বকাপ শেষে মেসি আবার ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নামবেন, লক্ষ্য থাকবে টানা দ্বিতীয় এমএলএস শিরোপা। অন্যদিকে এমবাপ্পের সামনে অপেক্ষা করছে নতুন অধ্যায়। রিয়াল মাদ্রিদে নতুন কোচ জোসে মরিনহোর অধীনে এবং ফ্রান্স জাতীয় দলে জিনেদিন জিদানের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা শুরু করবেন তিনি। শিরোপাহীন মৌসুমের হতাশা কাটিয়ে নতুন সাফল্যের পথে ফেরাই হবে তার মূল লক্ষ্য।