tanaka

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা

দেশের বাজারে আবারও কমেছে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ...
প্রচ্ছদআদালতহারুনকে ‘জ্বীন’ বলে ডাকতেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: মামুন

হারুনকে ‘জ্বীন’ বলে ডাকতেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: মামুন

ডিবির তৎকালীন প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে ‘জ্বীন’ বলে ডাকতেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-০১ এ দেওয়া জবানবন্দিতে এ তথ্য জানান সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, যিনি এখন আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

মামুন বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে হারুন ছিলেন অত্যন্ত দক্ষ। আন্দোলন দমন, সমন্বয়কদের আটক ও চাপ প্রয়োগের মতো কর্মকাণ্ডে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেন।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্দোলন শুরুর পর সারা দেশে সেনা মোতায়েন হয়। এরপর ১৯ জুলাই থেকে প্রায় প্রতি রাতেই ধানমন্ডিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় কোর কমিটির বৈঠক বসত। এসব বৈঠকে আন্দোলন দমন ও সরকারের পক্ষে নানা নির্দেশনা দেওয়া হতো। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাংগীর আলম, অতিরিক্ত সচিব টিপু সুলতান ও রেজা মোস্তফা, এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, র্যাব মহাপরিচালক হারুন অর রশিদ, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক, এনটিএমসির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং ডিজিএফআই ও এনএসআই প্রধানেরা।

মামুন জানান, এক বৈঠকে ডিজিএফআই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের আটক করার প্রস্তাব দেয়। তিনি আপত্তি তুললেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে তা মেনে নিতে বাধ্য হন। আটকের দায়িত্ব দেওয়া হয় হারুনকে। পরে ডিবি ও ডিজিএফআই সমন্বয়কদের আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায় এবং আন্দোলন প্রত্যাহার ও সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাপ প্রয়োগ করে। এমনকি তাদের পরিবারের সদস্যদেরও ডিবিতে এনে চাপ দেওয়া হয়।

শেষ পর্যন্ত টেলিভিশনে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে সমন্বয়কদের বাধ্য করা হয়, যেখানে হারুনের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।