প্রথম দুই ম্যাচে বোলাররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখালেও ব্যাটাররা ব্যর্থ হওয়ায় পরাজয়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে শেষ ম্যাচে সাইফ হাসান এমন কিছু করলেন, যা পরাজয়ের কোনো সুযোগই দিল না। মাত্র ৩৮ বলে ২ চার ও ৭টি বিশাল ছক্কায় তিনি ৬৪ রান করে দলের জন্য সহজ জয় নিশ্চিত করলেন টপ-অর্ডার ব্যাটার হিসেবে।
সাইফ হাসানের এই ঝড়ের ফলে বাংলাদেশ পরপর তিন ম্যাচে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে। ২০১৮ সালে আফগানিস্তানের কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময় ২-০ ব্যবধানে জয়ী হয়েও, এবার তিন ম্যাচের সিরিজে আফগানদের বিরুদ্ধে তারা প্রতিশোধ নিয়েছে।
সাইফের ঝড়ের আগে বল হাতে মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ভালো ছিলেন। মাত্র ৩ ওভারে ১৫ রান খরচায় তিনটি উইকেট নেন এই পেস অলরাউন্ডার। এছাড়া নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবও দুর্দান্ত বোলিং করে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন।
রান তাড়া করার সময় পারভেজ হোসেন ইমনের আউটের পর চাপ বেড়েছিল, তবে সাইফের ঝড়ে সেটি ঝেড়ে ফেলা হয়। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৩৩ বলে ৩৩ রান করে আউট হন। অধিনায়ক জাকের আলি অনিক ১১ বলে ১০ রান করেন। শামীম হোসেন রানের খাতা খুলতে পারেননি।
তবে নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন সাইফ। আগের দুই ম্যাচের মতো এদিনও অপরাজিত ছিলেন সোহান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
আফগানিস্তান: ২০ ওভারে ১৪৩/৯
(গুরবাজ ১২, ইব্রাহিম ৭, অতল ২৮, তারাখিল ১১, রসুলি ৩২, ওমরজাই ৩, নবী ১, রশিদ ১২, আহমেদজাই ০, মুজিব ২৩*, বশির ২*; শরিফুল ৪-০-৩৩-১, নাসুম ৪-০-২৪-২, সাকিব ৪-০-২৪-২, সাইফ উদ্দিন ৩-০-১৫-৩, সাইফ ১-০-৬-০, রিশাদ ৪-০-৩৯-১)
বাংলাদেশ: ১৮ ওভারে ১৪৪/৪
(ইমন ১৪, তামিম ৩৩, সাইফ ৬৪*, জাকের ১০, শামীম ০, সোহান ১০*; মুজিব ৪-১-২৬-২, ওমরজাই ৩-০-১২-১, বশির ৩-০-৩৮-০, রশিদ ৪-১-১৩-০, আহমেদজাই ৪-০-৫০-১)
ফলাফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।



