tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বক্তব্য

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বক্তব্য

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল কখন প্রকাশ হবে তা নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এসব তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই। খাতা যাচাই কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর দ্রুত ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক একে সামছুল আহসান সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বলেন, “আমরা ইসি বা সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা পাইনি। দ্রুততম সময়ে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। খুব শিগগিরই তা প্রকাশ করা হবে।”

ফল ২০ জানুয়ারির মধ্যে প্রকাশের সম্ভাবনা আছে কি না—এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “বিভিন্ন অনুমানভিত্তিক তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমরা নির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঠিক করিনি। ঠিক কখন ফল প্রকাশ হবে, তা এখন কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারবে না। তবে পরীক্ষার বাতিল বা ফল প্রকাশ না হওয়ার কোনও তথ্য সঠিক নয়। ফল প্রস্তুত হলে তা প্রকাশ করা হবে।”

উল্লেখ্য, ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের জন্য লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী।

পরীক্ষার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়ায়। কেউ কেউ ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দাবি করে সেগুলো ফেসবুকে শেয়ার করেন। এছাড়া ‘ডিভাইস পার্টি’ নামে একদল সক্রিয় ব্যক্তি পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে নকলের সহায়তা প্রদান করে।

এ ঘটনায় ২০৭ জন পরীক্ষার্থীকে ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেওয়ার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়। এর মধ্যে গাইবান্ধায় ৫৩, নওগাঁয় ১৮, দিনাজপুরে ১৮, কুড়িগ্রামে ১৬ এবং রংপুরে ২ জন রয়েছেন।

প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগে কিছু প্রার্থী পরীক্ষা বাতিলের দাবি তুললেও, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যারা জালিয়াতির চেষ্টা করেছিলেন, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এজন্য পরীক্ষা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই।