tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদরাজনীতিসরকার বা আদালত নয়, আ. লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ: ডা. জাহিদ

সরকার বা আদালত নয়, আ. লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ: ডা. জাহিদ

আওয়ামী লীগ যেকোনো সময় রাজনীতিতে সক্রিয় হতে পারে—প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, এ ধরনের মন্তব্যে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত সরকার বা আদালতের নয়, এটি নেবে দেশের জনগণ। গণহত্যা, গুম-খুনে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতেই হবে।

বুধবার (১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজহার শফিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ বলেন, আওয়ামী লীগের বিচারের জন্য বিএনপি বরাবরই সোচ্চার। গণহত্যার নির্দেশদাতা বা এর সঙ্গে জড়িত যেই হোক না কেন, তাদের আইনের মুখোমুখি করতে হবে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা, তার সিদ্ধান্ত দেবে জনগণ। আইন-আদালত তাদের অপরাধের রায় দেবে—এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগ অনেক কথা বললেও ২০২৪ সালের গণহত্যা নিয়ে তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। আয়নাঘরে নির্যাতন, লুটপাট, প্রতিহিংসা, রাতের ভোটে দিনের ফল—এসবেরও দায় তাদের নিতে হবে। জনগণের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে আওয়ামী লীগকে। তবে ক্ষমা করা হবে কিনা, সেটি একমাত্র জনগণই নির্ধারণ করবে।

শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি ও গণতন্ত্রকামী শক্তির ঐক্যে ভীত হলে শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতেন না। সত্যিকারের রাজনীতিবিদ হলে তিনি মাঠে রাজনীতি করতেন, প্রয়োজনে জেলও যেতেন। কিন্তু তিনি অন্যায় পথ বেছে নিয়েছেন।

আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. জাহিদ বলেন, “জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পায়নি। আমরা চাই, সেই নির্বাচন হোক এবং জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারুক।”

প্রবীণ নাগরিকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমাজে টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রবীণদের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ জরুরি। তারা যেন সমাজের বোঝা না হয়ে সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারেন, সে দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মশিহুর রহমান, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, আজহার শফিক ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।