tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্র আরও ২০টি দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ করলো

যুক্তরাষ্ট্র আরও ২০টি দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ করলো

যুক্তরাষ্ট্র আরও ২০টি দেশ এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণ করেছে। এর ফলে এ বছরের শুরুতে ঘোষিত কঠোর ভ্রমণ ও অভিবাসন সীমাবদ্ধতার আওতাভুক্ত দেশের সংখ্যা দ্বিগুণ হলো। ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে পাঁচটি দেশকে সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষিদ্ধ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথি বহনকারীদের ওপরও পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে আরও ১৫টি দেশের নাগরিকদের ওপর আংশিক সীমাবদ্ধতা কার্যকর হবে।

যাদের কাছে ইতিমধ্যেই বৈধ ভিসা রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা (গ্রিন কার্ডধারী), কূটনীতিক, ক্রীড়াবিদ ও বিশেষ কিছু ভিসা শ্রেণির আওতায় পড়া ব্যক্তিরা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। ঘোষণায় বলা হয়েছে, নতুন পদক্ষেপগুলি ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে জুনে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, ১২টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হবে এবং আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হবে। নতুন তালিকায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ দেশের মধ্যে যুক্ত হয়েছে বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান এবং সিরিয়া। এছাড়াও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথি বহনকারীদের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আংশিক সীমাবদ্ধতা প্রযোজ্য ১৫টি দেশ হলো: অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, বেনিন, আইভরি কোস্ট, ডোমিনিকা, গ্যাবন, গাম্বিয়া, মালাউই, মৌরিতানিয়া, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, তানজানিয়া, টোঙ্গা, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে।

প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, যেসব দেশে ভ্রমণ সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, সেখানে দুর্নীতি, জাল নথি এবং অপর্যাপ্ত অপরাধ সংক্রান্ত তথ্যের কারণে নাগরিকদের যাচাই-বাছাই কঠিন। এছাড়া ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান, ফেরত পাঠাতে অস্বীকৃতি এবং দেশগুলোর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে যাচাই প্রক্রিয়া জটিল হয়।

তবে সমালোচকেরা বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নিরাপত্তার আড়ালে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের অন্যায়ভাবে ভ্রমণ থেকে বিরত রাখছে। বিশেষভাবে আফগানদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই দশকের যুদ্ধে সহায়তা করেছে। বিশেষ অভিবাসী ভিসা প্রাপ্ত আফগানদের জন্য কোনো ব্যতিক্রম রাখা হয়নি।

ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন আগের বিধিনিষেধের কারণে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা, শিক্ষা বা কাজের উদ্দেশ্যে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। প্রশাসন দাবি করেছে, পশ্চিম তীর ও গাজায় ‘যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত উগ্র গোষ্ঠীগুলো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে’ এবং ওই অঞ্চলে যাচাই ও স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া সীমিত।