tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকবিশ্ববাজারে তেলের দামে আবারও অস্থিরতা

বিশ্ববাজারে তেলের দামে আবারও অস্থিরতা

তেলের দামে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে এক লাফে প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম।

রোববার (০১ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্স-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ওভার-দ্য-কাউন্টার লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে শুক্রবার দাম ৭৩ ডলারে উঠে জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ফিউচারস লেনদেন বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি আরও জটিল হলে দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে। জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিআইএসের জ্বালানি ও রিফাইনিং বিভাগের পরিচালক অজয় পারমার বলেন, সামরিক হামলার প্রভাব থাকলেও বাজারের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো হরমুজ প্রণালীর সম্ভাব্য বন্ধ হয়ে যাওয়া। রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের ২০ শতাংশেরও বেশি এই প্রণালী দিয়ে সম্পন্ন হয়।

বাণিজ্যিক সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের সতর্কবার্তার পর অনেক ট্যাঙ্কার মালিক, তেল কোম্পানি ও ট্রেডিং হাউস ওই পথ দিয়ে অপরিশোধিত তেল, জ্বালানি ও এলএনজি পরিবহন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

অজয় পারমারের মতে, প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এদিকে তেল উৎপাদক জোট ওপেক প্লাস এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই বৃদ্ধি বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য—মোটের ওপর ০ দশমিক ২ শতাংশেরও কম।

নরওয়ে-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেস্টার্ড এনার্জির বিশ্লেষক জর্জে লিওনের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হলে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবস্থার পরও দৈনিক ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাজার স্বাভাবিকভাবে চালু হলে তেলের দাম প্রায় ৯২ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।