ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে ‘প্রধানমন্ত্রী’ নয়, ‘বিমসটেকের সভাপতি’ হিসেবে সম্বোধনের বিষয়ে ওঠা প্রশ্নের সরাসরি জবাব এড়িয়ে গেছেন মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশে এমন আলোচনা চলছে যে ব্রিকসের ‘আউটরিচ’ পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ না করে ‘বিমসটেকের চেয়ারম্যান’ বা সভাপতি হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে, যা অনেকেই অপমানজনক হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান কী—সেই প্রশ্নই তোলা হয়।
তবে প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে এবং সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে। আমন্ত্রণপত্র ও সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয় নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ পর্বে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই আমন্ত্রণে তাকে বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই ব্রিফিংয়ে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরের চলমান বাংলাদেশ সফর নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এক সাংবাদিক জানতে চান, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার জন্য বিশেষ দায়িত্ব পালনকারী এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সফরের মতো আঞ্চলিক কার্যক্রম সম্পর্কে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে অবহিত করেন কি না।
জবাবে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ঢাকা সফর সম্পর্কে মন্তব্য করা যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বা বাংলাদেশ সরকারের বিষয়। এটি মূলত সংশ্লিষ্ট দুই দেশের বিষয় হওয়ায় এ নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে কিছু বলার নেই।



