tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসারাদেশবরিশাল-৩: ফুয়াদের জন্য আসন ছাড়লে বিপাকে পড়তে পারেন সেলিমা-জয়নুল

বরিশাল-৩: ফুয়াদের জন্য আসন ছাড়লে বিপাকে পড়তে পারেন সেলিমা-জয়নুল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারাদেশে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। তবে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ ও মুলাদী) আসনে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি দলটি। এতে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। কে হবেন এই আসনের প্রার্থী—তা নিয়ে জেলায় চলছে তুমুল আলোচনা।

গুঞ্জন রয়েছে, আসনটি আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে ছেড়ে দিতে পারে বিএনপি। এদিকে এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ইতোমধ্যে সক্রিয় রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সেলিমা রহমান এবং কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন সেলিমা রহমান। সেই নির্বাচনে জয়নুল আবেদীন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। দুজনই পরাজিত হন জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপুর কাছে। এবারও এ দুই নেতা একই আসনে মনোনয়ন চান।

দলীয় প্রার্থী ঘোষণা বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিমা রহমান বলেন, “এ বিষয়ে আসলে বলার তেমন কিছু নেই। দল যাকে চূড়ান্ত করবে, আমরা তাকেই মেনে নেবো। হয়তো চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নিতে একটু সময় লাগছে, যেহেতু আমরা দুজনই সিনিয়র।”
মনোনয়নে আশাবাদী কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা রাজনীতি করি—তাই সবসময়ই আশাবাদী। আশাবাদ ছাড়া দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা যায় না।”

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন বলেন, “মনোনয়ন চাইতে পারেন যেকেউ। তবে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে এই এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দল মনোনয়ন দিলে মানুষ আমার কাজের মূল্যায়ন করবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কৌশলগত কারণে বিএনপি হয়তো এখনো আসনটি খালি রেখেছে। ভবিষ্যৎ জোট বা সমঝোতার অংশ হিসেবে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদের জন্য আসনটি ছাড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচনি এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, তার সমর্থকরা ইতোমধ্যে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন। সব মিলিয়ে বরিশাল-৩ এখন জেলার সবচেয়ে আলোচিত আসন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “জনপ্রতিনিধি না হয়েও এ এলাকার উন্নয়নে শত শত কোটি টাকার প্রকল্প এনেছি—রাস্তাঘাট, মসজিদ, মন্দির, টিউবওয়েল স্থাপনসহ নানা কাজ করেছি। আমার বিশ্বাস, এলাকার মানুষ এসবের মূল্যায়ন করবে।”

বরিশাল-৩ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ দুই দলের প্রার্থীরা এ আসনে চারবার করে বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী দুইবার এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী একবার নির্বাচিত হয়েছেন।