শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনের সময় আকাশপথে ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর তদারকি, পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন এবং বিশেষ টহলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা বাসসকে এসব নিরাপত্তা পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এসআরবির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অপরাধপ্রবণ এলাকা, জনসমাগমপূর্ণ স্থান, বড় পূজামণ্ডপ এবং মণ্ডপে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব কৌশলগত স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক চেকপোস্ট স্থাপন করা হবে।
উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, পূজামণ্ডপকেন্দ্রিক নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ মোটরসাইকেল টহল ও চেকপোস্টের মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্য ও অপপ্রচার ঠেকাতে সাইবার উইংয়ের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চালানো হবে।
তিনি আরও জানান, পূজার পুরো সময় নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম স্থাপন এবং জরুরি সেবার জন্য হটলাইন চালুর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ মোটরসাইকেল টহল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্টের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এরপর মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী ও মহানবমীর পূজা শেষে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসব।
উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে পূজামণ্ডপ থেকে শুরু করে প্রতিমা বিসর্জনের স্থান পর্যন্ত নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।



