tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকপাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত সমর্থিত’ ১৭ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত সমর্থিত’ ১৭ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের অশান্ত বেলুচিস্তান প্রদেশে পরিচালিত একাধিক গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে ১৭ জন সশস্ত্র সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

বুধবার (৩ জুন) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৪ মে কোয়েটায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে হামলার ঘটনার পর মাস্তুঙ্গ, নুশকি, জেহরি, খুজদার ও কেচ জেলায় ধারাবাহিক গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান চালানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্দেহভাজন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একাধিক আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় ১৭ জন নিহত হন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ নামে উল্লেখ করেছে এবং দাবি করেছে, তারা ভারত-সমর্থিত একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য।

সেনাবাহিনীর দাবি, অভিযানের পর বিভিন্ন আস্তানা থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক এবং ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) উদ্ধার করা হয়েছে।

পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের মতে, নিহতরা দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলে সংঘটিত বিভিন্ন হামলা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। গত ২৪ মে কোয়েটার চামান ফটকের কাছে রেললাইনের পাশে বিস্ফোরণে ফ্রন্টিয়ার কর্পসের তিন সদস্যসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর এই অভিযান জোরদার করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তান অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি এবং সশস্ত্র হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে স্থানীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি ভারতের সমর্থনের যে অভিযোগ পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে, সে বিষয়ে ভারত সরকার বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ।