কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে যাওয়ার সময় বালুবাহী লাটা হাম্বা গাড়ি উল্টে চার শিশু নদীতে পড়ে গেছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আলিফ নামে আট বছরের এক শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের শিলাইদহ ঘাটসংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিখোঁজ আলিফ শিলাইদহ ইউনিয়নের কষবা গ্রামের মন্সুর প্রামাণিকের ছেলে। উদ্ধার হওয়া তিন শিশু হলো একই গ্রামের হাফিজুল ইসলামের ছেলে ওমর ফারুক (৮), জনি শেখের ছেলে আব্দুল আহাদ (১০) এবং জামাল হোসেনের ছেলে জিহাদ (১১)।
সাইড দিতে গিয়ে নদীতে গাড়ি
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চালক জাকির হোসেন বালুবোঝাই লাটা হাম্বা নিয়ে যাওয়ার সময় চার শিশু গাড়িতে উঠে পড়ে। কয়েকবার তাদের নামিয়ে দিলেও শিশুরা চালকের নিষেধ অমান্য করে আবারও গাড়িতে উঠে যায়।
পরে পদ্মা নদীর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি মোটরসাইকেলকে সাইড দিতে গেলে গাড়িটির পেছনের চাকা পিছলে যায়। একপর্যায়ে বালুবাহী গাড়িটি নদীতে উল্টে গেলে চার শিশু পানিতে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর চালক জাকির হোসেন নিজেই নদীতে নেমে তিন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। তবে আলিফকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উদ্ধার অভিযান চলছে
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
তিনি বলেন, নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে খুলনা থেকে একটি ডুবুরি দল রওনা হয়েছে। ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যৌথভাবে পদ্মা নদীতে উদ্ধার অভিযান চালানো হবে।
নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



