tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআদালতনাতিকে হত্যায় নানা-নানির যাবজ্জীবন

নাতিকে হত্যায় নানা-নানির যাবজ্জীবন

৮ বছর আগে রাজধানীর মেরাদিয়ায় সংঘটিত শিশু সাফওয়ান আল নিনাদ হত্যা মামলায় তার নানা-নানিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জহিরুল ইসলাম ওরফে লুড্ডু এবং তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার রাণী।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার জানান, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে এবং বাকি ৯০ হাজার টাকা ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, নিহত নিনাদ বনশ্রী ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ২০১৮ সালের ১৫ জুন রাতে বাসা থেকে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। পরদিন, ঈদের দিন দুপুরে, বাড়ির পাশেই একটি বেকারির পণ্যবাহী ভ্যানগাড়ির ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিনাদের বাবা স্বপন বেপারী খিলগাঁও থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রাথমিকভাবে থানা পুলিশ, পরে ডিবি ও পিবিআই হয়ে মামলার তদন্তভার সিআইডির কাছে যায়। তদন্তে উঠে আসে, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে নিনাদের নানা জহিরুল ইসলাম শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ জুন সিআইডির পরিদর্শক মাইনুল ইসলাম দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তী বছর ২২ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

বিচার চলাকালে আদালত মোট ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।