tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় জয়

তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় জয়

নির্বাচনকে স্বীকৃতি দিতে অনাগ্রহী হলেও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলে তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি আছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এমন একজন মানুষ, যে সবসময় আলোচনায় বিশ্বাস করি—তা যত কঠিনই হোক বা যার সঙ্গেই হোক। এটাই আমার কৌশল। জীবনে সবসময়ই এভাবেই চলেছি।”

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে জয়ের সাক্ষাৎকার নেয় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ITV। বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে তা সম্প্রচার করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলকে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ স্বাগত জানালেও জয় এ নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ বলে উল্লেখ করেন। তার দাবি, দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি ও প্রগতিশীল দলগুলোকে বাইরে রেখে নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। তার ভাষ্য, এমন একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে যাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের জনসমর্থনের তুলনায় সংসদে বেশি প্রভাব পায়।

তিনি বলেন, “দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের একটি নিষিদ্ধ থাকলে সেই নির্বাচনকে কীভাবে গ্রহণযোগ্য বলা যায়? যুক্তরাজ্যে যদি টোরি বা লিবারেলদের যে কোনো একটি দল নিষিদ্ধ করা হতো, সেটির সমতুল্য পরিস্থিতি তৈরি হতো। একে কোনোভাবেই অবাধ ও সুষ্ঠু বলা যায় না।”

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জামায়াত নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে জয় বলেন, আওয়ামী লীগ সরাসরি দলটিকে নিষিদ্ধ করেনি; আদালতের রায়ের কারণে তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। গঠনতন্ত্র সংশোধন করলে তখন তারা আবার অংশগ্রহণের সুযোগ পেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ আমলের তিনটি নির্বাচন নিয়ে কারচুপির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি পুরোপুরি সঠিক নয়। তার দাবি, গত তিন নির্বাচনের মধ্যে প্রথম ও তৃতীয়বার বিরোধী দল নির্বাচন বর্জন করেছিল।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও বিদেশি সাংবাদিকরা যদি মূল্যায়নে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু বলে উল্লেখ করেন, তা মেনে নেবেন কি না—এ প্রশ্নের জবাবে জয় বলেন, “না, মেনে নেওয়া যায় না। দেশে যে অল্পসংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক ছিলেন, তারা সরকারের তত্ত্বাবধানে চলাচল করেছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও সন্তোষজনক ছিল না। ফলে তারা প্রকৃত চিত্র কতটা দেখতে পেরেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।”

দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অবশ্যই ফিরব। দেখুন, তারেক রহমান—যিনি দণ্ডিত হয়েছিলেন—তিনি এখন সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী। এসব পরিস্থিতি স্থায়ী হয় না।”

শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন কি না—এ প্রশ্নে জয় বলেন, তার বিশ্বাস তিনি একদিন ফিরবেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তার দেশে ফেরা ‘একেবারেই নিরাপদ নয়’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।