tanaka
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকটাইফুন চাম্পির তাণ্ডবে তাইওয়ানে নিহত ১, ওকিনাওয়ায় বিদ্যুৎহীন ৮ হাজারের বেশি পরিবার

টাইফুন চাম্পির তাণ্ডবে তাইওয়ানে নিহত ১, ওকিনাওয়ায় বিদ্যুৎহীন ৮ হাজারের বেশি পরিবার

প্রবল ঝড় ও বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তাইওয়ান ও জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জ। টাইফুন চাম্পির আঘাতে তাইওয়ানে অন্তত একজন নিহত এবং ১৭১ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ঝড়ের কারণে জাপানের ওকিনাওয়ায় ৮ হাজার ৪০০টিরও বেশি পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

তাইওয়ানের ফায়ার ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা পর্যন্ত ঝড়ের কারণে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭১ জনে। এর আগে আহতের সংখ্যা ছিল ৯৪। অর্থাৎ, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের অনেকেই যানবাহন-সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যাওয়া, পিচ্ছিল রাস্তায় পিছলে যাওয়া এবং ঝোড়ো বাতাসে বিলবোর্ড ও গাছ ভেঙে পড়ার মতো ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছেন।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে নয়জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ভিয়েতনামের পাঁচজন, ইন্দোনেশিয়ার দুজন এবং মালয়েশিয়ার দুজন নাগরিক রয়েছেন।

ওকিনাওয়ায় বাড়ছে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পরিবারের সংখ্যা

টাইফুন চাম্পির প্রভাবে জাপানের দক্ষিণতম দ্বীপপুঞ্জ ওকিনাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। স্থানীয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার ৪০০ পরিবার বিদ্যুৎবিহীন ছিল।

দিনের শুরুতে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পরিবারের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৬৩০। পরে তা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যায়।

ওকিনাওয়া ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি জানিয়েছে, প্রবল বাতাস ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় মেরামতকাজ পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করতে কর্মীদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূলের কাছ দিয়ে অগ্রসর হওয়ার পর টাইফুন চাম্পি জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপপুঞ্জের পাশ দিয়ে যেতে পারে।

ঝড়টির প্রভাবে তাইওয়ানে হতাহতের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি ওকিনাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে দুই অঞ্চলের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি