tanaka

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ নয়, কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে...
প্রচ্ছদখেলাচ্যাম্পিয়নের মতো খেলেই আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত

চ্যাম্পিয়নের মতো খেলেই আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত আবারও প্রমাণ করল কেন তারা বিশ্বসেরা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালেও নিউজিল্যান্ডকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা ধরে রাখল তারা। স্যামসন ও অভিষেকদের দাপুটে ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে ব্ল্যাক ক্যাপসদের হারিয়ে ট্রফি নিজেদের দখলেই রাখল ভারত।

এর ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়ল ভারত। শুধু তাই নয়, প্রথম দল হিসেবে তিনবার শিরোপা জয়ের অনন্য রেকর্ডও গড়েছে টিম ইন্ডিয়া। এ ছাড়া ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুবার করে এবং পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া একবার করে এই শিরোপা জিতেছে।

আহমেদাবাদে ফাইনালে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষ হওয়ার আগেই তিন ব্যাটার ফিরে যান সাজঘরে। কিছুক্ষণ পর আউট হন আরেকজন। আউট হওয়ার আগে ফিন অ্যালেন ৯, রাচিন রবীন্দ্র ১, গ্লেন ফিলিপস ৫ এবং মার্ক চ্যাপম্যান ৩ রান করেন। নিয়মিত উইকেট পতনের মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যান ওপেনার টিম সেইফার্ট। মাত্র ২৬ বলে ৫২ রান করে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার ও পাঁচটি ছয়। এছাড়া ড্যারেল মিচেল করেন ১৭ রান।

এরপর দলনেতা মিচেল স্যান্টনার ছাড়া তেমন সুবিধা করতে পারেননি আর কেউ। ৩৫ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া জেমস নিশাম ৮, ম্যাট হেনরি শূন্য, লকি ফার্গুসন ২ এবং জ্যাকব ডাফি ১ রান করেন।

এর আগে আহমেদাবাদে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। ব্যাট করতে নেমে প্রথম দুই ওভার দেখে-শুনে খেলেন ভারতের দুই ওপেনার। এরপরই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হন তারা। একের পর এক চার-ছক্কায় পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই বিনা উইকেটে ৯২ রান তুলে নেয় ভারত।

মাত্র ১৮ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন অভিষেক শর্মা। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ২১ বলে ৫১ রান করে আউট হন এই ওপেনার।

দ্বিতীয় উইকেটে ইশান কিষাণকে সঙ্গে নিয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান স্যামসন। ফিফটি করার পর সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন তিনি, তবে আগের দুই ম্যাচের মতো এবারও শতকের দেখা পাননি। ৪৬ বলে ৮৯ রান করে আউট হন স্যামসন। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও আটটি ছয়।

ইশান কিষাণও খেলেন দারুণ একটি ইনিংস। চারটি চার ও চারটি ছক্কায় মাত্র ২৫ বলে ৫৪ রান করে আউট হন তিনি। তবে সুবিধা করতে পারেননি দলনেতা সূর্যকুমার যাদব; প্রথম বলেই রান না করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া ১৩ বলে করেন ১৮ রান।

শেষদিকে ঝড়ো ব্যাটিং করেন শিবম দুবে। মাত্র ৮ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। আর তিলক ভার্মা ৬ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন জেমস নিশাম। তিনি তিনটি উইকেট নেন। এছাড়া ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র একটি করে উইকেট শিকার করেন।