tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকগাজার শিশুদের জন্য মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতি তুরস্কের ফার্স্ট লেডির খোলা চিঠি

গাজার শিশুদের জন্য মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতি তুরস্কের ফার্স্ট লেডির খোলা চিঠি

ইসরায়েলি আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত গাজার শিশুদের পক্ষে কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোয়ান। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে পাঠানো এক খোলা চিঠিতে তিনি এ অনুরোধ জানান। ইউক্রেনে যুদ্ধবিধ্বস্ত শিশুদের প্রতি মেলানিয়ার সহমর্মিতা প্রকাশের প্রশংসা করে তিনি গাজার শিশুদের জন্যও একই ধরনের অবস্থান গ্রহণের অনুরোধ জানান।

চিঠিতে এমিন এরদোয়ান বলেন, “গাজা এখন শিশুদের জন্য এক ভয়ংকর সমাধিক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কণ্ঠস্বর ও শক্তি এক করতে হবে।”

জাতিসংঘ-সমর্থিত বিশেষজ্ঞদের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অপুষ্টির ঝুঁকিতে রয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার শিশু। এমিন এরদোয়ান বলেন, “হাজার হাজার শিশু যে কাফনে মোড়ানো হয়ে আছে, তাতে লেখা ‘অজানা শিশু’ — এটি আমাদের বিবেকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।”

তিনি আরও বলেন, “আপনি যেভাবে ইউক্রেনীয় শিশুদের দুর্ভোগে মানবিক সংবেদনশীলতা দেখিয়েছেন, গাজার শিশুদের ক্ষেত্রেও আমি একই মানবিকতা প্রত্যাশা করি।”

চিঠিতে মেলানিয়াকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছে সরাসরি আবেদন করারও আহ্বান জানানো হয়, যেন গাজায় চলমান মানবিক সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। উল্লেখযোগ্য যে, চলতি মাসেই মেলানিয়া ট্রাম্প একটি চিঠিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনীয় শিশুদের দুর্দশা বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান।

তুরস্কের ফার্স্ট লেডি সাধারণত রাজনীতিতে সক্রিয় না হলেও মানবিক ও পরিবেশগত বিষয়ে সোচ্চার। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস তাঁর এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। এর আগেও তিনি সিরীয় যুদ্ধ ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বনেতাদের চিঠি লিখেছেন।

জাতিসংঘ-সমর্থিত ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (IPC) সম্প্রতি জানিয়েছে, গাজা ও আশপাশের এলাকাগুলোতে সম্পূর্ণভাবে মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ চলছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে এবং ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী ১ লাখ ৩২ হাজার শিশুর জীবন হুমকিতে পড়বে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, অপুষ্টিতে মৃত ২৮১ জনের মধ্যে ১১৪ জনই শিশু। যদিও ইসরায়েল গাজায় দুর্ভিক্ষের কথা অস্বীকার করেছে এবং আইপিসি’র নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, সংস্থাটি এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় কমপক্ষে ৬২ হাজার ১২২ জন নিহত হয়েছেন। ৯০ শতাংশের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত, স্বাস্থ্যসেবা ও মৌলিক অবকাঠামো ধ্বংসপ্রাপ্ত।

গাজার শিশুদের জন্য মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতি তুরস্কের ফার্স্ট লেডির খোলা চিঠি

ইসরায়েলি আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত গাজার শিশুদের পক্ষে কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোয়ান। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে পাঠানো এক খোলা চিঠিতে তিনি এ অনুরোধ জানান। ইউক্রেনে যুদ্ধবিধ্বস্ত শিশুদের প্রতি মেলানিয়ার সহমর্মিতা প্রকাশের প্রশংসা করে তিনি গাজার শিশুদের জন্যও একই ধরনের অবস্থান গ্রহণের অনুরোধ জানান।

চিঠিতে এমিন এরদোয়ান বলেন, “গাজা এখন শিশুদের জন্য এক ভয়ংকর সমাধিক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কণ্ঠস্বর ও শক্তি এক করতে হবে।”

জাতিসংঘ-সমর্থিত বিশেষজ্ঞদের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অপুষ্টির ঝুঁকিতে রয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার শিশু। এমিন এরদোয়ান বলেন, “হাজার হাজার শিশু যে কাফনে মোড়ানো হয়ে আছে, তাতে লেখা ‘অজানা শিশু’ — এটি আমাদের বিবেকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।”

তিনি আরও বলেন, “আপনি যেভাবে ইউক্রেনীয় শিশুদের দুর্ভোগে মানবিক সংবেদনশীলতা দেখিয়েছেন, গাজার শিশুদের ক্ষেত্রেও আমি একই মানবিকতা প্রত্যাশা করি।”

চিঠিতে মেলানিয়াকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছে সরাসরি আবেদন করারও আহ্বান জানানো হয়, যেন গাজায় চলমান মানবিক সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। উল্লেখযোগ্য যে, চলতি মাসেই মেলানিয়া ট্রাম্প একটি চিঠিতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনীয় শিশুদের দুর্দশা বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান।

তুরস্কের ফার্স্ট লেডি সাধারণত রাজনীতিতে সক্রিয় না হলেও মানবিক ও পরিবেশগত বিষয়ে সোচ্চার। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস তাঁর এই ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। এর আগেও তিনি সিরীয় যুদ্ধ ও গাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্বনেতাদের চিঠি লিখেছেন।

জাতিসংঘ-সমর্থিত ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (IPC) সম্প্রতি জানিয়েছে, গাজা ও আশপাশের এলাকাগুলোতে সম্পূর্ণভাবে মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ চলছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে এবং ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী ১ লাখ ৩২ হাজার শিশুর জীবন হুমকিতে পড়বে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, অপুষ্টিতে মৃত ২৮১ জনের মধ্যে ১১৪ জনই শিশু। যদিও ইসরায়েল গাজায় দুর্ভিক্ষের কথা অস্বীকার করেছে এবং আইপিসি’র নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, সংস্থাটি এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় কমপক্ষে ৬২ হাজার ১২২ জন নিহত হয়েছেন। ৯০ শতাংশের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত, স্বাস্থ্যসেবা ও মৌলিক অবকাঠামো ধ্বংসপ্রাপ্ত।