tanaka

মার্কিন বিমান বাহিনীর এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য মিশিগানের ট্রাভার্সি শহরে মার্কিন বিমান বাহিনীর এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বিভাগের একটি এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনায় বিমানটি...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকখামেনির হত্যার প্রতিশোধের হুমকি, ১৩ বিশ্বনেতার ছবি প্রকাশ ইরানি গণমাধ্যমে

খামেনির হত্যার প্রতিশোধের হুমকি, ১৩ বিশ্বনেতার ছবি প্রকাশ ইরানি গণমাধ্যমে

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্যে দেশটির প্রভাবশালী রক্ষণশীল গণমাধ্যম হামশাহরি ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি ও নামসংবলিত একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করেছে। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার ছবি স্থান পেয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে।

শনিবার গভীর রাতে হামশাহরি-এর অনলাইন সংস্করণে ইনফোগ্রাফিকটি প্রকাশ করা হয়। এর কিছুক্ষণ আগে ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে তার বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, প্রতিশোধ পুরো জাতির দাবি এবং তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, যারা এই অপরাধে জড়িত, তারা জীবনের শেষ পর্যন্ত আতঙ্ক নিয়েই দিন কাটাবে। যদিও তিনি কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি, তবে ‘তালিকা’ থাকার ইঙ্গিত দেন।

হামশাহরি-এর প্রকাশিত ইনফোগ্রাফিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ছবি রয়েছে। এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎসের ছবিও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ১৩ জনের তালিকায় থাকা বাকি নেতাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া ইনফোগ্রাফিকটি শুধু অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে; রোববারের মুদ্রিত সংস্করণে এটি ছাপা হয়নি।

তবে এই তালিকাটি ইরানের সরকার বা শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। যদিও হামশাহরি তেহরানের ক্ষমতাকেন্দ্রের ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত এবং দেশটির সরকারি মহলে এর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।

ইরানের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সংঘাত চলাকালে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ড ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। তেহরানের দাবি, এর মাধ্যমে এসব দেশও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে অংশীদার হয়েছে।

খামেনির হত্যার প্রতিশোধের অঙ্গীকার এবং বিতর্কিত এই ইনফোগ্রাফিক প্রকাশের পর মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।