tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকইরানে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা রেজা পাহলভির

ইরানে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ কামনা রেজা পাহলভির

ইরানের শেষ শাহের (সম্রাট) নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানান। খবর গালফ নিউজের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন এলাকায় বসবাসকারী রেজা পাহলভি লেখেন, “মিস্টার প্রেসিডেন্ট, এটি আপনার দৃষ্টি, সমর্থন ও পদক্ষেপের জন্য একটি জরুরি ও তাৎক্ষণিক আহ্বান। অনুগ্রহ করে ইরানের জনগণকে সহায়তা করতে হস্তক্ষেপের জন্য প্রস্তুত থাকুন।”

কী ধরনের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশিত—সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। তবে পাহলভি জানান, তিনি জনগণকে স্বাধীনতার দাবিতে রাস্তায় নামতে এবং সংখ্যার জোরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত রাতেই বিক্ষোভকারীরা সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।

আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, “এই অপরাধী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে আপনার হুমকি তাদের দমন-পীড়নের মাত্রা কিছুটা কমিয়েছে। কিন্তু সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক ঘণ্টার মধ্যেই মানুষ আবার রাস্তায় নামবে। আমি আপনাকে সহায়তার জন্য অনুরোধ করছি।”

এর আগে গত বছর ইসরাইলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভে অংশ নেওয়া মানুষদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, চলমান বিক্ষোভের মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কোনোভাবেই পিছু হটবে না। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন।

খামেনি বলেন, ট্রাম্পের হাত ‘এক হাজারেরও বেশি ইরানির রক্তে রঞ্জিত’। ইসরাইলের সঙ্গে জুনে সংঘটিত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ও সরাসরি হামলার দায়ও ওয়াশিংটনের ওপর বর্তায় বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘অহংকারী’ ট্রাম্পের পরিণতিও ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আগে ক্ষমতাচ্যুত ইরানি রাজতন্ত্রের মতোই হবে। ভাষণে খামেনি অভিযোগ করেন, গত রাতে তেহরানে একদল ভাঙচুরকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে খুশি করার উদ্দেশ্যে নিজেদের একটি ভবন ধ্বংস করেছে। এ সময় তার সমর্থকরা ‘যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেন।

খামেনি বলেন, “শত শত হাজার সম্মানিত মানুষের রক্তের বিনিময়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নাশকতাকারীদের সামনে আমরা কখনোই পিছু হটবো না।”

উল্লেখ্য, ৩ জানুয়ারি থেকে বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করলেও এটাই ছিল চলমান পরিস্থিতি নিয়ে খামেনির প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্য।