বিশ্বজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। প্রতিবছর ১১ অক্টোবর জাতিসংঘভুক্ত দেশগুলোতে এই দিবসটি পালন করা হয়। অনেকেই একে “মেয়েদের দিন” বলেও অভিহিত করেন।
প্রথমবারের মতো ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য—লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য দূর করা। পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হয় মেয়েশিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, আইনি অধিকার এবং সহিংসতা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোতেও।
২০২৫ সালের প্রতিপাদ্য:
👉 “The Girl, I Am: The Change Leader – Girls on the Front lines of Crisis”
অর্থাৎ, “আমি সেই মেয়ে, আমিই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিই : সংকটের সামনের সারিতে মেয়েরা।”
এই প্রতিপাদ্য কন্যাশিশুদের ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব বিকাশের বার্তা বহন করে।
এই দিবসের সূচনা কীভাবে?
আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল-এর উদ্যোগে ‘আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস’ এর ধারণার জন্ম। তাদের ‘Because I Am a Girl’ (কারণ আমি একজন মেয়ে) নামের একটি বৈশ্বিক প্রচারণা থেকেই এই উদ্যোগের সূচনা হয়। এর লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী মেয়েশিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা ও অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কানাডার শাখা এই উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠা করতে কানাডা সরকারের সহযোগিতা নেয়। পরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কানাডার পক্ষ থেকে দিবসটি পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ এই প্রস্তাব অনুমোদন করে, এবং পরের বছর অর্থাৎ ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়।



