tanaka
প্রচ্ছদসারাদেশকোনাবাড়ীতে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা

কোনাবাড়ীতে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে বিএনপি নেতাদের ওপর হামলা

গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই নেতার মাথা ফেটে গেছে। এ ছাড়া বিএনপির আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কোনাবাড়ী বিসিক শিল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত দুই নেতা হলেন কোনাবাড়ী মেট্রো থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রবিউল আলম রবি এবং কোনাবাড়ী থানা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাহাবউদ্দিন হিমু। তাঁরা স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ ছাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি বুলবুল আহমেদসহ অন্তত তিনজন শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন কোনাবাড়ী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত রবিউল আলম রবি বলেন, সকাল ৯টার দিকে কোনাবাড়ী বিসিকের ১ নম্বর গেটের পাশে বিএনপির কয়েকজন নেতা দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ আন্দোলনকারীরা এসে তাঁদের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীরা লাঠিসোঁটা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে তাঁর মাথা ফেটে যায়। একই সময় সাহাবউদ্দিন হিমুও মাথায় আঘাত পেয়ে আহত হন। হামলায় বিএনপির অন্য নেতারাও আহত হয়েছেন।

রবিউল আলমের দাবি, শ্রমিক আন্দোলনে শ্রমিক নেতাদের দেখা যায়নি। বরং অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ইন্ধনে কোনো অপশক্তি তাঁদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিচার এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী কামরুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কোনাবাড়ী বিসিক এলাকায় বিএনপির কয়েকজন নেতা দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শ্রমিক আন্দোলনকারীদের ২০০ থেকে ৩০০ জনের একটি দল সেখানে এসে তাঁদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে রবিউল আলম রবি ও সাহাবউদ্দিন হিমুর মাথা ফেটে যায়। এ সময় বিএনপির অন্য নেতারাও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কোনাবাড়ী মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস আলী সরকার, থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি রবিউল আলম রবি, সহসভাপতি মালেক শিকদার, আকবর আলী, হযরত আলী ও আব্দুল বারেক সরকার এবং যুবদল নেতা ফয়সাল সরকারসহ অন্যরা।

এ বিষয়ে কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ ঘটনায় পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।