গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিসহ বাংলাদেশের সঙ্গে নদী-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত। দুই দেশের মধ্যে নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি বণ্টনসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে দেশটি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ১৯৯৬ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর। দুই দেশের নদী-সম্পর্কিত বিষয়গুলো যৌথ নদী কমিশনের কাঠামোর আওতায় আলোচনা করা হয়ে থাকে।
তিনি বলেন, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির আওতায় গঠিত যৌথ কমিটির বৈঠকও নিয়মিতভাবে কারিগরি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নদী ও পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নদী-সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির পাশাপাশি অন্যান্য অভিন্ন নদীর বিষয়ও যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে আলোচনায় আসে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটির মেয়াদ ৩০ বছর হওয়ায় চলতি বছরের ডিসেম্বরে এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে চুক্তিটির ভবিষ্যৎ এবং পরবর্তী সময়ে পানি বণ্টন ব্যবস্থা কীভাবে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এর নবায়ন বা পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে গুরুত্ব পাচ্ছে।



