tanaka

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার দক্ষিণ মজুপুর এলাকায় জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের মুখে আগুন লেগে এ...

বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার দক্ষিণ মজুপুর এলাকায় জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রান্নার সময় গ্যাস সিলিন্ডারের মুখে আগুন লেগে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রচ্ছদজাতীয়৩ বছরের মধ্যে সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১৫১ শয্যার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩ বছরের মধ্যে সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১৫১ শয্যার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য খাতে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ; আকস্মিক পরিদর্শনে হাসপাতালের সেবার মান দেখলেন মন্ত্রী

আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

একই সঙ্গে চিকিৎসক সংকট কাটাতে নতুন করে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। রোববার সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর ও কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে ক্ষমতাসীন সরকারের সময়ে দেশের স্বাস্থ্য খাত ব্যাপকভাবে অবহেলা ও অনিয়মের শিকার হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সরকার বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসকের ঘাটতি কমাতে দ্রুত ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেশের উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

হঠাৎ হাসপাতালে মন্ত্রীর উপস্থিতি

কোনো ধরনের প্রটোকল না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হলেও মন্ত্রীর আকস্মিক সফরের খবর শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ঝিনাইদহসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যস্ততা শুরু হয়।

সকালে জিপে করে হঠাৎ মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে তিনি কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওষুধের স্টোর পরিদর্শন করে মজুতের অবস্থাও যাচাই করেন। পাশাপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন।

মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও হাসপাতালে উপস্থিত হন।

সেবার মান নিয়ে সন্তোষ

মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরের পর দুপুরের দিকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে হাসপাতালগুলোর সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালেও তৎপরতা বেড়ে যায়। কর্মরত চিকিৎসকরা সকাল থেকেই হাসপাতালে উপস্থিত হতে শুরু করেন। হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য প্রস্তুতিও নেওয়া হয়।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান সকাল ৭টার আগেই হাসপাতালে উপস্থিত হন বলে জানা গেছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকারের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। গত ছয় মাসে দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।