tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ২৭ নেতাকর্মী

ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ২৭ নেতাকর্মী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার ঢাকা কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা কলেজের গ্যালারি নম্বর-২ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রশিবির। অনুষ্ঠান উপলক্ষে ব্যানার টানানো ও সাজসজ্জার কাজ চলার সময় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মামুন অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। তিনি দাবি করেন, হামলায় ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক আব্দুল মালেকসহ কয়েকজন আহত হন। পরে আব্দুল মালেককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অন্যদিকে, ছাত্রদলের কর্মী রাসেলের দাবি, সকালে শিবিরের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বহিরাগত কিছু কর্মী ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে উসকানিমূলক আচরণ করেন এবং ছাত্রদলের এক কর্মীকে মারধর করেন। পরে এ ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

এদিকে একই দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রদল ও শিবির সমর্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত শুরু, অস্থায়ী আবাসন প্রকল্প ও মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়নের দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করতে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিরা।

শিবির সমর্থিত জকসুর নেতাদের অভিযোগ, ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফসহ কয়েকজনকে মারধর করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার হোসেন বলেন, ছাত্রশিবির ও জকসু প্রতিনিধিরা পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে।

দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনাকে ঘিরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজরদারি করছে।