tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়কাল ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার

কাল ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার

দুই দিনের সফরে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার শনিবার ঢাকায় আসছেন। শুক্রবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বিষয়টি পুনঃনিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ইসহাক দার ২৩–২৪ আগস্ট সরকারি সফরে ঢাকায় আসবেন। সফরকালে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ পরিসর ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

তিন দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক সফরে ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফরের দ্বিতীয় দিনে ইসহাক দার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ঢাকা–ইসলামাবাদের মধ্যে দীর্ঘ দুই দশকের শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করার লক্ষ্যে গত এপ্রিলেই পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালোচ ঢাকা সফর করেছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় এবার আসছেন ইসহাক দার। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় সক্রিয় করার পাশাপাশি ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে আলোচনা করবেন।

গত ২ আগস্ট পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ২৩ আগস্ট ঢাকায় আসবেন এবং ২৪ আগস্ট দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পর পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ সক্রিয় করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই আমনা বালোচের সফরের পর এবার ঢাকায় আসছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।

প্রসঙ্গত, ইসহাক দারের মূলত ২৭–২৮ এপ্রিল ঢাকায় আসার কথা ছিল। তবে ২২ এপ্রিল ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর ভারত–পাকিস্তান সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়। এর ফলে তার সফরের তারিখ পিছিয়ে যায়।