মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতি প্রায় নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র জ্বালানির সংকট। এ ছাড়া সরকারের রাজস্ব ঘাটতি রয়েছে।ফলে অর্থসংকটে রয়েছে সরকার। এ জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ব্যাপারে ধীরে চলো নীতি বেছে নিয়েছে সরকার। এ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পে স্কেলের জন্য বরাদ্দকৃত ৪০ হাজার কোটি টাকার একটি বড় অংশ ফ্যামিলি কার্ড ও জ্বালানি তেলের ভর্তুকিতে ব্যয় হয়েছে।২০২৪ সালে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম বড় উদ্যোগ ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেলের সুপারিশ। এ জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তবে নতুন সরকার গঠনের পর এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে বরাদ্দকৃত ৪০ হাজার কোটি টাকা অন্য খাতে ব্যয়ের খবরে ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মচারীদের মাঝে।



