tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

গুম প্রতিরোধে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

গুমের দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এ অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করে। এর আগে ৬ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করা হবে। এ আইনের আওতায় সংঘটিত অপরাধ হবে জামিন ও আপস-অযোগ্য।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য যদি কাউকে গ্রেফতার, আটক, অপহরণ বা স্বাধীনতা হরণ করার পর তা অস্বীকার করেন অথবা ওই ব্যক্তির অবস্থান, অবস্থা বা পরিণতি গোপন রাখেন এবং এর ফলে ওই ব্যক্তি আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হন, তাহলে এটিকে গুম—অর্থাৎ শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ—হিসেবে গণ্য করা হবে। এ ক্ষেত্রে দায়ী ব্যক্তির শাস্তি হবে যাবজ্জীবন বা সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড।

গুমের ফলে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে, অথবা পাঁচ বছর পরও তাকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া না গেলে—দোষী ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কার্যকর হবে।

গুমের প্রমাণ নষ্ট করা বা গোপন আটককেন্দ্র নির্মাণ, স্থাপন বা ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কমান্ডার বা দলনেতা যদি অধস্তনদের এমন অপরাধে আদেশ, অনুমতি, সম্মতি বা প্ররোচনা দেন, কিংবা নিজে অংশগ্রহণ করেন, তবে তিনিও মূল অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আসবেন।

এ ছাড়া তাদের অবহেলা, অদক্ষতা বা অধস্তনদের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে ব্যর্থতার কারণেও যদি অধস্তনরা গুমসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়ায়—তাহলেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মূল অপরাধের দায়ে দণ্ডিত করা হবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।