tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসারাদেশ১৪ কোটি টাকার সড়কে ঢালাইয়ের পরই ফাটল

১৪ কোটি টাকার সড়কে ঢালাইয়ের পরই ফাটল

দীর্ঘদিনের খানাখন্দ পেরিয়ে নতুন সড়কের আশায় ছিলেন রাজশাহীর পবা ও তানোর উপজেলার মানুষ। ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক পুনর্বাসনের কাজ শুরু হলেও এরই মধ্যে ঢালাই দেওয়া অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও আবার দেবে গেছে সড়ক। এতে নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাদের অভিযোগ, সড়কের নিচের মাটি ঠিকমতো শক্ত করা হয়নি। রোলারও যথাযথভাবে চালানো হয়নি। কোথাও নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার এবং ঢালাইয়ের পুরুত্ব কম দেওয়ার অভিযোগও করেছেন অনেকে।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পবা উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী। তার মতে, নির্মাণসামগ্রীর মানে কোনো সমস্যা নেই। মূল সমস্যা সড়কের নিচের মাটিতে। মাটি ‘অর্গানিক সয়েল’ হওয়ায় পানি পেলে এর ভার বহনের ক্ষমতা কমে যায়। ফলে ওপরের অংশের ভার নিতে না পেরে দেবে যাচ্ছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত বৃষ্টি ও ভারী যানবাহন চলাচলের বিষয়টিও ক্ষতির কারণ হয়েছে।

প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, ‘বায়া-কাশিম বাজার-তানোর সড়ক পুনর্বাসন কাজ (প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ)’ প্রকল্পের আওতায় ৯ কিলোমিটারের বেশি সড়ক পুনর্বাসন করা হচ্ছে। প্রকল্পের চুক্তিমূল্য প্রায় ১৪ কোটি টাকা। গত ৯ মে কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ করার নির্ধারিত সময় ২০২৭ সালের ১২ মার্চ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।

সরেজমিনে বায়া থেকে তানোরের আগ পর্যন্ত সড়ক ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন অংশে পুনর্বাসনের কাজ চলছে। প্রকল্পের আওতায় সড়কের কয়েকটি অংশে আরসিসি ঢালাই দেওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে বাকসাড়া-নওদাপাড়া এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটার অংশে ঢালাই দেওয়া হয়েছে। সেই ঢালাইয়ের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা গেছে। ফাটল ধরা অংশে কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে সড়কের অন্য অংশে কাজ চলছে।

বাকসাড়া-নওদাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. কুরবান আলী বলেন, সড়কের কিছু অংশে অপরিষ্কার জায়গার ওপরই ঢালাই দেওয়া হয়েছে। নিচের মাটিও ভালোভাবে শক্ত করা হয়নি। রোলারও ঠিকমতো চালানো হয়নি। ফাটল ধরা অংশ তুলে নিচের মাটি শক্ত করে নতুন করে ঢালাই দেওয়ার দাবি করেন তিনি।

সাবেক কাউন্সিলর মো. নাজমুল হুদা মোল্লা বলেন, গর্ত খননের পর মাটি ভালোভাবে কমপ্যাক্ট করা হয়নি। রোলার না চালানোর কারণে সড়কের এক পাশে দেবে গেছে, অন্য পাশে ফাটল ধরেছে। তার দাবি, কাজের মান ৫০ শতাংশও হয়নি। ঢালাইয়ের পুরুত্ব কম এবং বালু বেশি, খোয়া কম দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।