tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদঅন্যান্যহাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বর্তমানে প্রত্যেক মানুষের হাতেই গণমাধ্যম রয়েছে। যারা শুনতে চান, তারা শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে পারবেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। সরাইল উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “গণমাধ্যম শুধু ২৬টি টেলিভিশন চ্যানেলে সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে প্রত্যেকের হাতেই গণমাধ্যম রয়েছে। যে শুনতে চায়, সে শুনতে পারবে। এভাবে কারও বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না।”

তিনি বলেন, “আমরা শেখ হাসিনার আমলে দেখেছি, তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। আদালতের আদেশের মাধ্যমে তা বন্ধ করা হয়েছিল। যদি সেটি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটিও কীভাবে গণতন্ত্র হয়?”

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “তিনি বাংলাদেশের নাগরিক। তার পরিবার এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের অবদান রয়েছে। তার পরিবারকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় আওয়ামী লীগ ছিল অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল।”

তিনি আরও বলেন, “সবকিছু বিবেচনা করলে, তার বয়সও হয়েছে। তিনি যদি দেশে ফিরে না আসেন, তাহলে তার দলের ভবিষ্যৎ কী হবে বা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসের কী হবে—এসব বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হবে। আমার সাধারণ বোধ বলে, তিনি ফিরে আসবেন।”

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, “এটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থারই ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে বোঝা যায়, রাজনৈতিক দলগুলোর তাদের ছাত্রসংগঠনের ওপর নিয়ন্ত্রণ কতটা দুর্বল এবং শেষ পর্যন্ত আমরা আবারও পুরোনো রাজনীতির ধারায় ফিরে যাচ্ছি।”

এদিকে রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায় উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান বয়কট করেছে স্থানীয় বিএনপি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “বিএনপিকে মেনে নিতে হবে যে, জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে। এই কঠিন সত্যটি তাদের গ্রহণ করতে হবে।”

সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সরাইল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়াসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।