tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকসিরিয়ায় আইএস ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ায় আইএস ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস)–এর বিভিন্ন ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেছে।

সেন্টকম জানায়, শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ‘অপারেশন হকআই স্ট্রাইক’-এর আওতায় এসব হামলা চালানো হয়। গত ১৩ ডিসেম্বর সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর ওপর আইএসের প্রাণঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়ায় এ অভিযান শুরু করা হয়েছে। সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ও মিত্র বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই ছিল এই হামলার মূল লক্ষ্য।

এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, “আমাদের বার্তা স্পষ্ট—আমাদের সেনাদের ক্ষতি করলে আমরা তোমাদের খুঁজে বের করব। পৃথিবীর যেখানেই থাকো না কেন, ন্যায়বিচার এড়াতে পারবে না।”

বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে এক কর্মকর্তা জানান, অভিযানে ২০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। ৩৫টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে ৯০টিরও বেশি নির্ভুল অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। অভিযানে ব্যবহৃত বিমানগুলোর মধ্যে ছিল এফ-১৫ই, এ-১০, এসি-১৩০জে, এমকিউ-৯ ড্রোন এবং জর্ডানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান।

হামলার নির্দিষ্ট স্থান এবং এতে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এদিকে শনিবার এক্সে প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সামরিক অভিযানের বিষয়ে লিখেছেন, “আমরা কখনো ভুলব না, কখনো থামব না।”

ডিসেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন প্রথম ‘অপারেশন হকআই স্ট্রাইক’-এর ঘোষণা দেয়। এর আগে সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলের পালমিরায় আইএসের এক বন্দুকধারীর হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক মার্কিন বেসামরিক দোভাষী নিহত হন। সে সময় হেগসেথ বলেছিলেন, “এটি কোনো যুদ্ধের সূচনা নয়; এটি প্রতিশোধের ঘোষণা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র তার জনগণকে রক্ষায় কখনো দ্বিধা করবে না।”

সেন্টকম আরও জানায়, শনিবারের সর্বশেষ হামলার আগে ২০ থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ‘অপারেশন হকআই স্ট্রাইক’-এর অংশ হিসেবে ১১টি অভিযানে প্রায় ২৫ জন আইএস সদস্যকে হত্যা বা আটক করা হয়েছে।

এই অভিযানের প্রথম মিশন পরিচালিত হয় ১৯ ডিসেম্বর, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডানের বাহিনী যৌথভাবে সিরিয়ার মধ্যাঞ্চলে আইএসের বিরুদ্ধে বড় পরিসরে হামলা চালায়। ওই অভিযানে যুদ্ধবিমান, আক্রমণকারী হেলিকপ্টার ও কামান ব্যবহার করে ৭০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয় এবং আইএসের অবকাঠামো ও অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে ১০০টিরও বেশি নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।