tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকলিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্টের বরাতে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে আল-খোমস উপকূলীয় শহরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত আল-খোমস শহরটি দীর্ঘদিন ধরেই সমুদ্রপথে ইউরোপমুখী অভিবাসীদের গতিপথ হিসেবে পরিচিত।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানায়, প্রথম নৌকাটিতে মোট ২৬ জন বাংলাদেশি ছিলেন, যাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় নৌকাটিতে ৬৯ জন যাত্রী ছিলেন—তাদের মধ্যে দু’জন মিসরীয় এবং বাকিরা সুদানি নাগরিক। তবে ওই নৌকার যাত্রীদের পরিণতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। সংগঠনটি আরও জানায়, দ্বিতীয় নৌকাটিতে আটজন শিশু ছিল।

রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কালো প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো লাশগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। অন্য ছবিতে স্বেচ্ছাসেবীদের বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে দেখা যায়। উদ্ধার হওয়া অনেককে থার্মাল কম্বলে জড়িয়ে মেঝেতে বসে থাকতে দেখা যায়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উদ্ধারকাজে লিবিয়ার কোস্টগার্ড ও আল-খোমস বন্দর নিরাপত্তা সংস্থা অংশ নেয়। শহরের পাবলিক প্রসিকিউশনের নির্দেশ অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগের দিন, বুধবার (১২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছিল, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি রাবারের নৌকা ডুবে অন্তত ৪২ জন নিখোঁজ হয়েছেন এবং তাদের সবাই মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত অক্টোবরে ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর লাশ উদ্ধার করা হয়। সেপ্টেম্বরে আইওএম জানায়, সুদানি শরণার্থীবাহী একটি নৌকায় আগুন ধরে কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যু হয়।

২০১১ সালে ন্যাটোর সমর্থনে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়া অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দেশটি ইউরোপমুখী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।