tanaka

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়া ৩২ জন গ্রেফতার

রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে ৩২ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ...
প্রচ্ছদজাতীয়মিরপুরে জলাবদ্ধতা: ‘মিনি কক্সবাজার’ বলে আক্ষেপ বাসিন্দাদের

মিরপুরে জলাবদ্ধতা: ‘মিনি কক্সবাজার’ বলে আক্ষেপ বাসিন্দাদের

টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর মিরপুরের পূর্ব শেওড়াপাড়া যেন এক জলনগরীতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায়, পুরো এলাকা এখন ‘মিনি কক্সবাজার’। কোথাও কোমরসমান, কোথাও হাঁটুপানি জমে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা।

রোববার (১২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পূর্ব শেওড়াপাড়ার ইব্রাহিমপুর পাকার মাথা থেকে মূল সড়কের কবরস্থানের গলি পর্যন্ত গিয়ে দেখা যায়, সড়কজুড়ে পানি। আশপাশের অনেক বাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। শেওড়াপাড়া মেট্রো স্টেশনের নিচেও হাঁটুপানি জমে রয়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে গণপরিবহন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। মূল সড়কে বাসের দেখা মিলছে না, মোটরসাইকেলের চলাচলও খুবই কম। রিকশা ও ভ্যান চললেও স্বাভাবিক ২০ টাকার ভাড়া বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পৌঁছেছে।

এলাকার শিশুদের কেউ বলছে, ‘এটা এখন মিনি কক্সবাজার’, আবার কেউ বলছে, ‘রাস্তাটা নদী হয়ে গেছে।’ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, এমন পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা উচিত।

আগারগাঁওয়ের বাসিন্দা বসুদেব জানান, সকাল ১০টার দিকে অটোরিকশায় মিরপুর-১০ সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে যাওয়ার পথে কাজীপাড়ায় অটোরিকশার সার্কিট নষ্ট হয়ে যায়। এরপর কোমরসমান পানি পেরিয়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে হয়। ফেরার পথেও একই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মিরপুর-১০ থেকে কাজীপাড়া পর্যন্ত কোমরপানি, আর কাজীপাড়া থেকে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত হাঁটুপানি। রিকশাও পাওয়া যাচ্ছে না, ভাড়াও অনেক বেশি। অনেক বাড়ির গ্যারেজ ও আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ে পানি ঢুকে গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর থেকে ঢাকায় আসা শফিক বলেন, ‘মিরপুর-১০ থেকে কোমরপানি পেরিয়ে শেওড়াপাড়ায় এসেছি। পানি বেশি থাকায় বাস চলছে না। মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে।’

স্থানীয় এক ভ্যানচালক জানান, পানি ঠেলে ভ্যান চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। তাই জনপ্রতি ৫০ টাকা ভাড়া নিতে হচ্ছে।

আরেক ভ্যানচালক শাহ আলম বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে ঠিকমতো ভ্যান চালাতে পারছি না। বেশির ভাগ শোরুম বন্ধ থাকায় মালামাল পরিবহনও বন্ধ। বাসায়ও পানি উঠেছে। এখন দই, চিড়া আর দুধ খেয়েই দিন পার করছি।’