tanaka

চীনের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে ভারতের শক্তি বোঝাতে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার উদাহরণ মন্ত্রীর

চীনের সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ভারতের সামরিক ও গোয়েন্দা সক্ষমতার পক্ষে কথা বলেছেন অরুণাচল প্রদেশের মন্ত্রী বালো রাজা। নিজের বক্তব্যে বলিউডের স্পাই...
প্রচ্ছদখেলামিউনিখ ট্র্যাজেডির স্মৃতিসৌধে ভাঙচুর, চুরি হলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্মারক

মিউনিখ ট্র্যাজেডির স্মৃতিসৌধে ভাঙচুর, চুরি হলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্মারক

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ইতিহাসের কালো অধ্যায় ১৯৫৮ সালের মিউনিখ বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে জার্মানির মিউনিখে নির্মিত স্মৃতিসৌধে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। স্মৃতিসৌধের কাচের বাক্স ভেঙে সেখান থেকে বেশ কিছু স্মারকসামগ্রী চুরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুঃখ ও হতাশা প্রকাশ করেছে স্মৃতিসৌধটির দেখভালের দায়িত্বে থাকা ম্যানচেস্টার মিউনিখ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন (এমএমএমএফ)।

১৯৫৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখ বিমানবন্দরের রানওয়েতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে বহনকারী একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় মোট ২৩ জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে ক্লাবটির আটজন ফুটবলার ও তিনজন কর্মকর্তা ছিলেন।

নিহতদের স্মৃতি ধরে রাখতে মিউনিখের ম্যানচেস্টারপ্লাৎসে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। সেখানে কাচের বাক্সে সংরক্ষিত ছিল দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন স্মারক। সম্প্রতি সেই বাক্স ভেঙে কিছু স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা বলে নিশ্চিত করেছে এমএমএমএফ।

ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, স্মৃতিসৌধটি মেরামতের খরচ বহনের প্রস্তাব দিয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে ক্লাবের প্রস্তাব বাস্তবায়নের আগেই নিজেদের উদ্যোগে সংস্কারকাজ সম্পন্ন করেছে তারা।

ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইফতি আহমেদ। তিনি বলেন, মিউনিখ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের কাছে যেমন ম্যানচেস্টারপ্লাৎস আবেগের স্থান, তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সমর্থকদের কাছেও জায়গাটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

স্মৃতিসৌধটির রক্ষণাবেক্ষণ ও দ্রুত সংস্কারে সহযোগিতার জন্য মিউনিখের স্থানীয় বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বিশেষভাবে ‘রেড ডকস’-এর ভূমিকার প্রশংসা করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান।

ইফতি আহমেদের ভাষ্য, দুর্বৃত্তরা স্মৃতিবাক্স ভেঙে কিছু স্মারক চুরি করতে পারলেও নিহতদের স্মৃতি কিংবা ম্যানচেস্টার ও মিউনিখের মধ্যকার বন্ধুত্ব নষ্ট করতে পারবে না। যাঁদের স্মরণে স্মৃতিসৌধটি নির্মিত, তাঁদের অবদান মানুষের মনে চিরকাল অম্লান থাকবে। দুই শহরের সম্পর্কও আগের মতো অটুট থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।