মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব উপেক্ষা করেই ইরান ও ইরাকের মধ্যে শিগগিরই আবার বিমান চলাচল শুরু হতে পারে। তেহরানে নিযুক্ত ইরাকের রাষ্ট্রদূত ইয়াসের আবদুল জাহরা আল-হাজ্জাজ জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে। খবর সিবিএস নিউজের।
ইরানের পরিবহনমন্ত্রী ফারজানে সাদেঘের সঙ্গে বৈঠকের পর আল-হাজ্জাজ বলেন, বিমান চলাচলে তৈরি হওয়া জটিলতা নিরসনে দুই দেশ বিভিন্ন উদ্যোগ ও কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করছে। একই সঙ্গে বিমান পরিবহন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও চাপের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইরাকি রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরান ও ইরাকের মধ্যে নিয়মিত বিপুলসংখ্যক মুসল্লি, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী যাতায়াত করেন। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক যোগাযোগ রয়েছে। ফলে বিমান যোগাযোগ বন্ধ থাকায় এসব যাত্রীর পাশাপাশি দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমকে আল-হাজ্জাজ বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল শিগগিরই আবার শুরু হবে।’
এর আগে গত আগস্টে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় দেশটির বিমান চলাচল খাতও রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পর বিভিন্ন দেশ ইরানের সঙ্গে চলাচলকারী ফ্লাইট বাতিল করে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সহযোগিতাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী ইরাকের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে তেহরান ও বাগদাদ।
দুই দেশের কর্মকর্তাদের আলোচনার মধ্য দিয়ে এখন বিমান চলাচল পুনরায় চালুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে সৃষ্ট কারিগরি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাসংক্রান্ত জটিলতা কীভাবে সমাধান করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ



