tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকবাংলাদেশি কিশোরী পাচারের অভিযোগে দুই ভারতীয় গ্রেপ্তার

বাংলাদেশি কিশোরী পাচারের অভিযোগে দুই ভারতীয় গ্রেপ্তার

বাংলাদেশি এক কিশোরীকে পাচারের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দুই বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন অমল কৃষ্ণ মন্ডল এবং আমির আলী শেখ।

এনআইএর অভিযোগ, বাংলাদেশি কিশোরীকে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে ভারতে আনা হয়। পরে তাকে জোর করে পতিতালয়ে বিক্রি করে খারাপ কাজে নামতে বাধ্য করা হয়।

এনআইএ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর গত শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর গাইঘাটা ও পেট্রাপোলে একযোগে অভিযান চালানো হয়। পেট্রাপোল থানার অন্তর্গত জয়ন্তীপুরে আমির আলী শেখের বাড়ি ও গাইঘাটার সিকাতিতে অমল কৃষ্ণ মন্ডলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজনকে প্রথমে পেট্রাপোল থানায় এনে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা জেরায় মানব পাচারের বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং পরবর্তীতে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, কয়েক মাস আগে ভারতের উড়িষ্যার ভুবনেশ্বর থেকে ওই বাংলাদেশি কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তাকে প্রথমে সীমান্ত পেরিয়ে বনগাঁয় আনা হয়, এরপর কলকাতা হয়ে কটক শহরে নিয়ে যাওয়া হয়।

তদন্তে আরও বেরিয়ে এসেছে, বাংলাদেশে বসবাসরত এক দম্পতিও এই পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাদের সঙ্গে অনলাইনে আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়ার পর অমল ও আমিরের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়।

গত রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুই অভিযুক্তকে স্থানীয় আদালতে তোলা হলে আদালত তাদের ট্রানজিট রিমান্ডে উড়িষ্যায় পাঠানোর অনুমতি দেয়। তবে অভিযুক্তদের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তারা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, পাচারের অভিযোগ সঠিক নয়।

এনআইএ বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক গ্রেপ্তার ও গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দের মাধ্যমে বাংলাদেশি নারীদের ভারতে পাচারের নেটওয়ার্ক ভাঙার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।