tanaka

তিনবেলা খাবার জুটত না, এখন শাহরুখ সেজে আয় ৫ লাখ রুপি!

একসময় সাইনবোর্ড আঁকাই ছিল জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন। অনিয়মিত আয়ের কারণে সংসার চালানোও ছিল কঠিন। কিন্তু চেহারায় বলিউড তারকা শাহরুখ খানের সঙ্গে অদ্ভুত মিলই...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকপাকিস্তানে কয়লা খনিতে মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণ, নিহত ৩২ শ্রমিক

পাকিস্তানে কয়লা খনিতে মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণ, নিহত ৩২ শ্রমিক

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটার কাছে একটি কয়লা খনিতে ভয়াবহ মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তত ৩২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় বিস্ফোরণের তীব্রতায় পাশাপাশি থাকা দুটি কয়লা খনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খনির ভেতরে জমে থাকা মিথেন গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়। দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শেষ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) এক কর্মকর্তা শুক্রবার ভোরে জানান, এ পর্যন্ত ২৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খনির ভেতরে আরও তিনটি মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলো উদ্ধারের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও উদ্ধারকারী দল আটকে পড়া শ্রমিকদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তবে জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা অত্যন্ত ক্ষীণ।

এর আগে প্রদেশের প্রধান খনি পরিদর্শক মুহাম্মদ আতিফ জানান, বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে মোট ৩৬ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।

এদিকে, জ্যেষ্ঠ খনি কর্মকর্তা আবদুল গনি বেলুচ জানান, শক্তিশালী বিস্ফোরণে পাশাপাশি থাকা দুটি কয়লা খনি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাকিস্তানের কয়লা খনি শিল্পে এ ধরনের দুর্ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে বেলুচিস্তানের অনেক খনিতে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা, গ্যাস পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। ফলে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটছে।

জীবনের চরম ঝুঁকি ও স্বল্প মজুরি সত্ত্বেও বেলুচিস্তানের হাজারো মানুষ জীবিকার তাগিদে কয়লা খনিতে কাজ করেন। পাকিস্তানের বৃহত্তম হলেও সবচেয়ে অনুন্নত এই প্রদেশে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে অনেক শ্রমিক বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করছেন।

এদিকে খনি শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, খনির মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন না। পাশাপাশি শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতেও তারা ব্যর্থ হচ্ছেন।