tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকপাকিস্তানের সঙ্গে সৌদির প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদির প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরব একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এতে কয়েক দশকের পুরোনো নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হবে বলে জানিয়েছে দুই দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “এই চুক্তি উভয় দেশের নিরাপত্তা জোরদার এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি-স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এর লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি ও যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলা। কোনো একটি দেশের ওপর হামলাকে উভয় দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।”

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানায়, এ চুক্তি দুই দেশের মধ্যে ‘ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব’, ‘অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থ’ এবং ‘ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা’-র ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের আগে রিয়াদে বৈঠক করেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সেখানে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অর্জনের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে শেহবাজ শরিফ সৌদি আরবে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন।

চুক্তির সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এক জ্যেষ্ঠ সৌদি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, এটি বহু বছরের আলোচনার ফল এবং নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় গৃহীত নয়। বরং দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই মূল লক্ষ্য।

পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি বিস্তৃত প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি, যা সব ধরনের সামরিক সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত করে।”

উল্লেখ্য, চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো আরব লীগ ও ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক যৌথ বৈঠকের মাত্র দুই দিন পর। গত ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠক ডাকা হয়েছিল ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষিতে। বৈঠকে আরব ও ইসলামিক দেশগুলো এ হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। হামলায় হামাসের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, যখন তারা মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিলেন।