tanaka

ডিসেম্বর ঘিরে রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা চলছে নানা হিসাব-নিকাশ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত শব্দগুলোর একটি ‘ডিসেম্বর’। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে...
প্রচ্ছদসারাদেশজামায়াতের সেই এমপির আরেকটি ভিডিও ভাইরাল

জামায়াতের সেই এমপির আরেকটি ভিডিও ভাইরাল

২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে দ্বিতীয়বারের মতো সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন মাধ্যমে ২০ সেকেন্ডের ভিডিওটি ভাইরাল হয়। তবে ভিডিওটি কবে ও কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষে গাজী নজরুল ইসলাম ও এক তরুণী দাঁড়িয়ে আছেন। সেখানে একটি টেবিলে রাখা আইডি কার্ডে ইংরেজিতে ‘বাংলাদেশ পার্লামেন্ট’ এবং তার নিচে ‘১৩তম পার্লামেন্ট’ লেখা রয়েছে। কার্ডটিতে গাজী নজরুল ইসলামের ছবি ও নামের পাশাপাশি পদবি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ উল্লেখ করা হয়েছে।

ভিডিওতে হট্টগোলের মধ্যে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘দেখেন, সাতক্ষীরা জামায়াতের লোক মেয়েসহ এখানে ধরা খাইছে। এই যে এই মুরুব্বি।’

এর আগে সোমবার রাতে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের একটি ‘ব্যক্তিগত’ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। সাতক্ষীরা জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভিডিওতে থাকা তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’। পরে নিজের ফেসবুক পোস্টেও একই দাবি করেন নজরুল ইসলাম।

ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাজধানীর মগবাজারে ওই তরুণীর বাবার অফিসে তাকে ‘জিম্মি’ করে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। পরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের ‘ব্যক্তিগত’ ও ‘ঘনিষ্ঠ’ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য।