tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকজাপানে পুলিশের ভুলে জেল: মৃত শিজো আশিমার সমাধিতে ক্ষমা চাইল পুলিশ

জাপানে পুলিশের ভুলে জেল: মৃত শিজো আশিমার সমাধিতে ক্ষমা চাইল পুলিশ

জাপানে পুলিশের ভুলে একজন নিরপরাধ নাগরিককে কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছে। ভুলভাবে গ্রেপ্তার হওয়া সেই ব্যক্তি, শিজো আশিমা, ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করার পর তার সমাধিতে গিয়ে ক্ষমা চেয়েছে জাপানের পুলিশ।

শিজো আশিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি সংবেদনশীল শিল্পযন্ত্রপাতি—বিশেষত ‘স্প্রে ড্রায়ার’ রপ্তানি করেছেন, যা সামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য হতে পারে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২০ সালের মার্চ মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু তদন্তে দেখা যায়, অভিযোগটি ভিত্তিহীন ছিল।

দুঃখজনকভাবে, অভিযোগ প্রত্যাহারের প্রায় পাঁচ মাস আগেই, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকস্থলীর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শিজো আশিমা মারা যান।

বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের সোমবার, জাপানের ইয়োকোহোমায় শিজোর সমাধিতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সেখানে শিজোর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তার স্ত্রী জানান, পুলিশের ক্ষমা গ্রহণ করলেও যেসব ব্যক্তি মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন, তাদের তিনি ক্ষমা করবেন না।

শিজোর কোম্পানি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করে। আদালত রায়ে জানায়, অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন ছিল। ফলে কোম্পানিকে ১৬৬ মিলিয়ন ইয়েন ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ওই ‘স্প্রে ড্রায়ার’ মেশিনটি তরল পদার্থকে গুঁড়োতে রূপান্তর করতে পারে, এবং কিছুক্ষেত্রে সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার হতে পারে। তবে কোম্পানির দাবি, তাদের ব্যবসা জাপানের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন করে না।

প্রসিকিউটর হিরোশি ইচিকাওয়া বলেন, “শিজো আশিমাকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা এবং তার চিকিৎসার অধিকার হরণ করার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। এটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।”

শিজো আশিমা আটবার জামিন আবেদন করেছিলেন, কিন্তু প্রতিবারই তা নাকচ করা হয়। পরে আদালতের ক্ষতিপূরণের রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করেনি টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগ বা টোকিও জেলা পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিস।