tanaka

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ নয়, কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে...
প্রচ্ছদখেলাছক্কা ও রান বন্যার এক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

ছক্কা ও রান বন্যার এক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল ব্যাটারদের দাপটের এক আসর। চার-ছক্কার বন্যা, বড় বড় স্কোর এবং রেকর্ড ভাঙার উৎসবেই ভরপুর ছিল পুরো টুর্নামেন্ট। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এই আসর আগের সব সংস্করণের চেয়ে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ও উচ্চ স্কোরের ছিল।

৭৮০: এই বিশ্বকাপে মোট ৭৮০টি ছক্কা হয়েছে, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ। এর আগে, ২০২৪ আসরে হয়েছিল সর্বোচ্চ ৫১৭টি ছক্কা। অর্থাৎ ছক্কার সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে গেছে। প্রতি ১৫.৫২ বলে একটি ছক্কা হয়েছে, যা এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত হার।

৪: এই বিশ্বকাপে চারটি ম্যাচ খেলেননি সাঞ্জু। তবুও শেষ সুপার এইট ম্যাচ, সেমিফাইনাল ও ফাইনালে টানা তিনটি ৮০’র বেশি রানের ইনিংস খেলে তিনি হলেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়।

৬/৭: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সাতটি দলীয় স্কোরের মধ্যে ছয়টিই এসেছে এই আসরে। যদিও ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার করা ২৬০ রান এখনও সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ হিসেবে রয়ে গেছে। ১৫: এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ফেলেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল- মোট ১৫টি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির কোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্টে এটিই সর্বোচ্চ ক্যাচ মিসের রেকর্ড।

৩৮৩: এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন সাহিবজাদা ফারহান। তার মোট রান ৩৮৩। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে এটিই সর্বোচ্চ রান। একই সঙ্গে তিনি প্রথম ব্যাটার হিসেবে এই প্রতিযোগিতায় দুটি সেঞ্চুরি করেছেন।

৪: এক আসরে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড চারবার বদলেছে। প্রথমে ফারহান (১৮), এরপর শিমরন হেটমায়ার (১৯), তারপর ফিন অ্যালেন (২০) এবং শেষে সাঞ্জু স্যামসন ২৪ ছক্কা মেরে রেকর্ড নিজের নামে করেন।