tanaka

দুই জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাটের দুই পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। সেখানে নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে দুই কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে। সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকচুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অপেক্ষায় ইরান, ট্রাম্প ছিলেন সমঝোতায় আগ্রহী: মোজতবা খামেনি

চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অপেক্ষায় ইরান, ট্রাম্প ছিলেন সমঝোতায় আগ্রহী: মোজতবা খামেনি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি। তিনি বলেছেন, চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরানি কর্মকর্তারা আন্তরিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন। একই সঙ্গে তার দাবি, সমঝোতা অর্জনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নানা ধরনের চাপ ও কৌশল প্রয়োগ করেছেন। খবর প্রেস টিভির।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বার্তায় খামেনি বলেন, ইরানের প্রতিনিধিরা সদিচ্ছা ও জাতীয় স্বার্থের কথা বিবেচনায় রেখে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন এবং সমঝোতায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। বিপরীতে, ট্রাম্প প্রশাসন লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগের পথ অনুসরণ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে দূরবর্তীভাবে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে আঞ্চলিক সংঘাতের স্থায়ী অবসান, ৩০ দিনের মধ্যে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌ চলাচল পুনরুদ্ধার, অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন কর্মসূচি এবং ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

খামেনি জানান, শুরুতে তিনি চুক্তি নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের দেওয়া আশ্বাসের পর তিনি এতে অনুমোদন দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পেজেশকিয়ান ইরানের জনগণ ও প্রতিরোধ জোটের স্বার্থ রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অতিরিক্ত দাবি মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, এখন ঘোষিত শর্তগুলো বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হয়, সেটিই দেখার বিষয়। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা শত্রুপক্ষের অবস্থান মেনে নেওয়ার সমতুল্য নয়।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, একটি পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে দুই দেশ ৬০ দিনের আলোচনাপর্বে প্রবেশ করেছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সরাসরি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্ব পালন করবে পাকিস্তান ও কাতার।

খামেনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী আলোচনা পর্বগুলোতে ইরান আরও কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করবে এবং জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখতে সক্ষম হবে।